আজকাল ওয়েবডেস্ক: লখনউয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শতরান করেই আইসিসির টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ শ্রেয়স আইয়ারের। ব়্যাঙ্কিংয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এলেন ভারতীয় ব্যাটার।
চলতি পাঁচ ম্যাচের সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান করেন তিনি। এর ফলে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ের প্রথম চারটি স্থানের মধ্যে তিনটিই এখন ভারতীয়দের দখলে।
র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ঈশান কিষাণ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। তাঁদের মাঝে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে কেরিয়ারের সর্বোচ্চ রেটিং পয়েন্ট অর্জন করেছেন তিনি।
টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের তালিকায় উন্নতি করেছেন আরও কয়েকজন ক্রিকেটার। তিন ধাপ এগিয়ে ২৩-তম স্থানে উঠেছেন কুশল মেন্ডিস। ১৩ ধাপ উঠে যুগ্মভাবে ২৪-তম স্থানে রয়েছেন শেরফেন রাদারফোর্ড। অন্যদিকে, চার ধাপ এগিয়ে যুগ্মভাবে ২৭-তম স্থানে পৌঁছেছেন সঞ্জু স্যামসন। পাকিস্তানের তরুণ ক্রিকেটার মাজ সাদাকাতও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের সিরিজে ভাল পারফরম্যান্স করে প্রথম ১০০ জনের বাইরে থেকে উঠে এসেছেন ৪৫তম স্থানে।
বোলার ও অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়েও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে ভাল পারফরম্যান্সের সুবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রস্টন চেজ টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকায় ২৪ ধাপ উঠে ২৩-তম স্থানে পৌঁছেছেন। অলরাউন্ডারদের তালিকায় দুই ধাপ এগিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন তিনি। পাকিস্তানের সলমন মির্জা বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে ন'ধাপ উঠে ১৪তম এবং সাইম আইয়ুব আট ধাপ এগিয়ে ৫৪তম স্থানে পৌঁছেছেন।
টেস্ট অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে অবশ্য শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার রবীন্দ্র জাডেজা। দক্ষিণ আফ্রিকার উইয়ান মুল্ডার এক ধাপ উঠে চতুর্থ স্থানে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে, পাঁচ ধাপ এগিয়ে যুগ্মভাবে ২৩তম স্থানে রয়েছেন সাইমন হার্মার।
এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ডারবানের কিংসমিডে প্রথম টেস্টে ২১৪ রানে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে এই বড় জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসির সর্বশেষ টেস্ট র্যাঙ্কিংয়েও। অস্ট্রেলিয়ার একাধিক ক্রিকেটার উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছেন।
ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ম্যাথু রেনশ। প্রথম ইনিংসে ১৯০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৮২ রান করেন তিনি। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে টেস্ট ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম ১০০ জনের বাইরে থেকে উঠে যুগ্মভাবে ৪৯তম স্থানে পৌঁছেছেন রেনশ।
অস্ট্রেলিয়ার আর এক ব্যাটার মার্নাস লাবুশেন চার ধাপ এগিয়ে ৩৪তম স্থানে উঠে এসেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার এইডেন মার্করামও চার ধাপ উন্নতি করে যুগ্মভাবে দশম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন।
সব মিলিয়ে, টি-টোয়েন্টি থেকে টেস্ট, আইসিসির সাম্প্রতিক র্যাঙ্কিংয়ে একাধিক ক্রিকেটারের উত্থান নজর কেড়েছে। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের প্রথম চারে ভারতের তিন ক্রিকেটারের উপস্থিতি ভারতীয় ক্রিকেটের পক্ষে উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
