মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের পূর্ব শত্রুতার জেরে পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাকের হোসেনকে (৩৮) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
আজ বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারের ভেতরে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণ ও হত্যাকাণ্ড
সাকের হোসেন মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ভোরে মোটরসাইকেলে করে এসে दुर्লক্ষণীয়ভাবে দুর্বৃত্তরা কাউন্টারের সামনে অবস্থান নেয়। তাদের একজন বাইরে মোটরসাইকেল চালু রেখে উচ্চ শব্দে হর্ন বাজাতে থাকে যেন গুলির শব্দ ঢাকা পড়ে যায়।
সাকের হোসেন মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ভোরে মোটরসাইকেলে করে এসে दुर्লক্ষণীয়ভাবে দুর্বৃত্তরা কাউন্টারের সামনে অবস্থান নেয়। তাদের একজন বাইরে মোটরসাইকেল চালু রেখে উচ্চ শব্দে হর্ন বাজাতে থাকে যেন গুলির শব্দ ঢাকা পড়ে যায়।
অন্যজন কাউন্টারের ভেতরে প্রবেশ করে সাকের হোসেনের মাথার পেছনে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে অন্য কাউন্টারের কর্মীরা এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ
হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে বাস টার্মিনালের কাউন্টার মালিক সমিতি ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা সকাল ৭টা থেকে সব বাস কাউন্টার বন্ধ রেখে মাগুরা-ফریدপুর সড়ক, ঢাকা রোড এবং ভায়না এলাকায় মাগুরা-যশোর সড়কে বাস আড়াআড়ি করে রেখে অবরোধ সৃষ্টি করেন। এতে সড়কের দুই পাশে শত শত দূরপাল্লার যানবাহন আটকে পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে শ্রমিক ও স্বজনদের সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে বাস টার্মিনালের কাউন্টার মালিক সমিতি ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা সকাল ৭টা থেকে সব বাস কাউন্টার বন্ধ রেখে মাগুরা-ফریدপুর সড়ক, ঢাকা রোড এবং ভায়না এলাকায় মাগুরা-যশোর সড়কে বাস আড়াআড়ি করে রেখে অবরোধ সৃষ্টি করেন। এতে সড়কের দুই পাশে শত শত দূরপাল্লার যানবাহন আটকে পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে শ্রমিক ও স্বজনদের সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
পুলিশ ও চিকিৎসকদের বক্তব্য
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, প্রাথমিকভাবে সাকের হোসেন স্ট্রোক করেছেন বলে মনে হলেও নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার মাথার পেছনে একটি সরু ছিদ্র দেখা যায়। সর্বশেষ ময়নাতদন্তের সময় চিকিৎসকেরা তাঁর মাথার ভেতর থেকে একটি বুলেটের অংশ (গুলি) উদ্ধার করেছেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, প্রাথমিকভাবে সাকের হোসেন স্ট্রোক করেছেন বলে মনে হলেও নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার মাথার পেছনে একটি সরু ছিদ্র দেখা যায়। সর্বশেষ ময়নাতদন্তের সময় চিকিৎসকেরা তাঁর মাথার ভেতর থেকে একটি বুলেটের অংশ (গুলি) উদ্ধার করেছেন।
মাগুরার পুলিশ সফল মোল্লা আজাদ হোসেন জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের মোটিভ এখনো নিশ্চিত হওয়া না গেলেও টার্মিনালকেন্দ্রিক কোন্দল ও রাজনৈতিক বিরোধের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে জেলা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) এবং সিআইডি (অপরাধ তদন্ত বিভাগ)-এর একাধিক বিশেষ এক্সপার্ট দল কাজ শুরু করেছে।
পারিবারিক দাবি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
নিহত সাকেরের পরিবার ও স্বজনদের দাবি, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড যা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক শত্রুতা ও টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জেরে ঘটানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত ১৭ বছরে সাকের হোসেনের বিরুদ্ধে ১০টি রাজনৈতিক মামলা ছিল। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
নিহত সাকেরের পরিবার ও স্বজনদের দাবি, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড যা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক শত্রুতা ও টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জেরে ঘটানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত ১৭ বছরে সাকের হোসেনের বিরুদ্ধে ১০টি রাজনৈতিক মামলা ছিল। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
The post কে মারলো যুবদল নেতা শাকেরকে? appeared first on Daily Sotto Kotha Protidin.
