জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সব শিশু একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। কেউ তীব্র গরমে অসুস্থ হয়, কেউ বন্যার কারণে স্কুলে যেতে পারে না। আবার কেউ হারায় ঘরবাড়ি ও জীবিকা।
জাতিসংঘের শিশু তহবিল- ইউনিসেফ বলছে, ২০২৪ সালে জলবায়ুজনিত দুর্যোগে দেশের প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ শিশুর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। সিলেটের কোনো কোনো শিশু আট সপ্তাহ পর্যন্ত স্কুলে যেতে পারেনি।
তবে সব শিশুর ঝুঁকি এক নয়। উপকূলীয় এলাকার শিশুরা লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতে থাকে। বন্যাপ্রবণ এলাকার শিশুরা দীর্ঘ সময় পড়াশোনার বাইরে থাকতে পারে।
এছাড়া প্রতিবন্ধী শিশুরা জরুরি সময়ে নিরাপদ আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি বাধার মুখোমুখি হতে পারে।
এ বছর শিশুদের জলবায়ু ঝুঁকি বিষয়ক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইউনিসেফ।
এতে বলা হয়েছে, বিশ্বের প্রায় ১১০ কোটি শিশু একই সঙ্গে অন্তত তিন ধরনের জলবায়ু ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
যেমন একই সময়ে কোনো শিশু অতিবৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধ্বসের ঝুঁকিতে থাকতে পারে কিংবা একই সময়ে সে জলোছ্বাস, বন্যা ও লবণাক্ততার মত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে।
তাই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি কমানোর পাশাপাশি ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি ও সুরক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: ঢাকা।
