সপ্তমীর সন্ধ্যা মানেই চুটিয়ে খাওয়াদাওয়া আর প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়ানো। আর অবশ্যই পরনে জমকালো শাড়ি, গয়নাগাটি। এবার অবশ্য দুপুরের হালকা বৃষ্টি যেন তাল কেটেছে সপ্তমীর। তা দেখে মুখভার? সন্ধ্যায় শাড়ি পরে আদৌ প্যান্ডেল হপিংয়ে বেরবেন কিনা, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করছেন? ভয় পাবেন না। বরং শাড়ি বাছাই করুন ভেবেচিন্তে। শাড়ি একটু বাছাই করে পরলেই কেল্লাফতে। বৃষ্টি আপনার সাজগোজে বাদ সাধতে পারবে না।
- বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় পরার জন্য শিফন বেছে নিন। সঙ্গে পরতে পারেন স্লিভলেস ব্লাউজ। হালকা বাহারি গয়না পরুন। দিব্যি মানাবে।
- শিফন না থাকলে হালফিলের সুতির শাড়ি বেছে নিতে পারেন। মানানসই গয়নাগাটির সঙ্গে পরলে অষ্টমীর সন্ধ্যা জমে যাবে।
- এখন বহু ধরনের সিল্ক রেপ্লিকা শাড়ি পাওয়া যায়। সেই ধরনের কোনও উজ্জ্বল ধরনের শাড়ি বেছে নিতে পারেন। বৃষ্টিতে ভিজলেও এই শাড়িগুলি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম।
- শাড়ির আঁচল প্লিট (একধরনের বিশেষ ভাঁজ) এবং কুঁচি সামান্য উঁচুতে করুন।
- হিল জুতো পরতে পারেন। তাতে পায়ে কাদা লাগার সম্ভাবনা কম। শাড়িও জলকাদায় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
- বৃষ্টির ফলে জল কাদায় সমস্যা হবে মনে করলে ফ্ল্যাট হিলের জুতো পরুন। সুতরাং আপনি যাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তাই পরুন।
কী করবেন না:
- জরি দেওয়া তাঁত কিংবা সিল্কের শাড়ি আজ না পরাই ভালো। নবমী এখনও বাকি। না হয় সেদিনই পরলেন ওই শাড়িটি।
- সিকোয়েন্সের কাজ করা শাড়ি পরবেন না। কাদা লাগলে ঝটপট ধুতে পারবেন না। তার ফলে শাড়়ি নষ্ট হতে পারে।
- ঠিক একইভাবে জরি, সুতো, বিডসের কাজ করা জুতোও না পরাই ভালো। কাদা জলে তা নষ্ট হতে পারে।
- গয়নাগাটি বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও সতর্ক হোন। বৃষ্টির জল লেগে কালো হয়ে যেতে পারে এমন ধরনের গয়না না পরাই ভালো।
সপ্তমীর সন্ধ্যায় জমিয়ে সারুন প্যান্ডেল হপিং। বৃষ্টিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই প্যান্ডেল থেকে ওই প্যান্ডেলে ঘুুরে বেড়ান। আর অবশ্যই সঙ্গে রাখুন ছাতা। যদিও তেমন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
