বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পছবি: Facebook
Published on
:
1 min read
এই সময়, আলিপুরদুয়ার: সোমবারও অচলাবস্থা কাটল না বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে পর্যটনের। ফলে পুজোর মরশুমে এ দিনও জঙ্গল সাফারির সুযোগ পেলেন না পর্যটকরা। দশ দফা দাবিতে রাজাভাতখাওয়া চেকপোস্টের সামনে অস্থায়ী মঞ্চে যে গণ অবস্থান শুরু করেছিল বক্সার ১৮টি গ্রামসভার যৌথ সংগ্রামী মঞ্চ, সোমবারও তা চলেছে। তাতে সামিল হয়েছেন জিপসি চালক, হোমস্টে মালিক ও জঙ্গলের গাইডরাও।
বন দপ্তর এই আন্দোলন নিয়ে চুপ থাকলেও অবস্থানে অনড় আন্দোলনকারীরা। বরং যে অরাজনৈতিক মঞ্চে আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে, সেখানে ধীরে ধীরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির গণসংগঠনের উপস্থিতি চোখে পড়ছে। সোমবার যেমন গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির আলিপুরদুয়ার জেলা শাখার তরফে আন্দোলনকারীদের আর্থিক সাহায্য করা হয়।
বনজন শ্রমজীবী মঞ্চের উত্তরবঙ্গের আহ্বায়ক লাল সিং ভুজেল এ দিন বলেন, 'বন দপ্তর যদি মনে করে বক্সাতেও একটা যন্তর মন্তর তৈরি করবে, তাতে আমাদের আপত্তি নেই। রক্ত ঝরাবে তো ঝরাক। আমরা হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ হয়ে ফের পথে নামব। তবে এ বার দাবিগুলো আদায় করেই ছাড়ব। অরণ্যবাসীরা আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।'
বক্সার অচলাবস্থা নিয়ে রবিবার মুখ খোলেননি কালচিনি ও কুমারগ্রামের দুই বিধায়ক। তবে সোমবার কালচিনির বিধায়ক তথা স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামার বক্তব্য, 'আন্দোলনকারীদের দাবিগুলির প্রতি সহানুভূতি রয়েছে। কিন্তু জঙ্গলের সমস্যাগুলো তো বন দপ্তরকেই মেটাতে হবে।'
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প এলাকাটি কালচিনিতেই। আর এ দিন রাজ্যের বনমন্ত্রী বলেছেন, 'সুন্দরবনে আছি। ১৫ অক্টোবর আলিপুরদুয়ার ফিরে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাব।' যদিও তাঁর বক্তব্য শুনে বক্সার আন্দোলনের নেতা অয়ন নাইডুর মন্তব্য, 'বনমন্ত্রী তো বনাধিকারিকদের মতো কথা বলছেন। আর আলোচনায় বিশ্বাস রাখা যাচ্ছে না। এ বার দাবিগুলো মেটাতে হবে।'