সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের মেসার্স সরদার স্টোরে গতকাল আমদানি করা আদা কেজিপ্রতি খুচরায় বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকায়, যা দুই-তিন সপ্তাহ আগে ছিল ১৩০-১৩৫ টাকা।
সাতক্ষীরার মসলা বাজারগুলোয় কমেছে আদার দাম। সরবরাহ বাড়ায় দুই-তিন সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা ও পাইকারিতে মসলাপণ্যটির দাম কমেছে কেজিতে ১৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, সম্প্রতি বাজারে চায়না থেকে আমদানি করা আদা সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কিছুটা কমতির দিকে।
সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের মেসার্স সরদার স্টোরে গতকাল আমদানি করা আদা কেজিপ্রতি খুচরায় বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকায়, যা দুই-তিন সপ্তাহ আগে ছিল ১৩০-১৩৫ টাকা। দাম কমে যাওয়ার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আব্দুল হাকিম জানান, বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি পাইকারিতে দাম কমে যাওয়ায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।
এদিকে সুলতানপুর বড় বাজারের মসলাপণ্যের পাইকারি বিক্রি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মামা-ভাগ্না ভাণ্ডারে গতকাল আদা পাইকারিতে বিক্রি হয় প্রতি কেজি ১১০ টাকায়, যা দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১২০ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জহুরুল ইসলাম জানান, পাইকারি মসলার বাজারে চায়না আদার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে দাম কমেছে। তাছাড়া শিগগির নতুন আদা বাজারে উঠবে, তখন দাম আরো কমে আসবে।
ভোমরা স্থলবন্দরের মসলাপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, সারা বছরই জিরা, শুকনো হলুদ, আদাসহ বিভিন্ন প্রকার মসলা আমদানি করা হয়। কিন্তু পাঁচ-ছয় মাস ধরে ভোমরা বন্দর দিয়ে কোনো আদা আমদানি করেনি তার প্রতিষ্ঠান। তিনি জানান, ভারতের মসলা বাজারে আদার দাম বেড়ে গেছে। আর চায়না থেকে সাশ্রয় মূল্যে ব্যবসায়ীরা আমদানি করতে পারছেন। তাই ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় আদা আমদানি আপাতত বন্ধ আছে।
সাতক্ষীরার জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে জানান, বাজারে চায়না আদার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমে এসেছে। অন্যান্য মসলাপণ্যের মধ্যে পেঁয়াজ-রসুনের দামও স্বাভাবিক রয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক ইকবাল হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ হাজার ৮০ টন উৎপাদন লক্ষ্য নিয়ে ৯০ হেক্টর জমিতে আদার চাষ করা হয়েছে। নতুন আদা বাজারে উঠলে দাম আরো কমে আসবে।
