সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগে গুমানতলী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার শিক্ষক নূর আলমের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শ্যামনগর থানায় এ মামলা করা হয়।
অভিযুক্ত নূর আলম শ্যামনগর উপজেলার গুমানতলী গ্রামের সামছুর সরদারের ছেলে। ছাত্রীর পরিবারের দাবি, প্রায় ৭ মাস আগে প্রাইভেট পড়ানোর সময় শিক্ষক নূর আলম জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করে ধর্ষণ করেন। ভিডিও ধারণ করে ভয়ভীতি দেখানো হয়। বর্তমানে শিশুটি প্রায় ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।
এ ঘটনায় ওই মাদ্রাসার অষ্টম ও দশম শ্রেণির দুই ছাত্রের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ছাত্রীটির ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগও উঠেছে। পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির বাড়ি যশোরের শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া গ্রামে। মা সৌদি প্রবাসী হওয়ায় পড়াশোনার জন্য সে শ্যামনগরের গুমানতলী গ্রামে তার নানা বাড়িতে থাকত এবং সে শিক্ষক নূর আলমের কাছে প্রাইভেট পড়ত।
শিক্ষক নূর আলমের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার স্ত্রী ফোনটি রিসিভ করেন। তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান। বাকী দুই ছাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
শ্যামনগর থানার ওসি শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাদ্রাসার শিক্ষক ও দুই ছাত্রকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা হয়েছে।’
