
আল্লামা শাইখুল হাদিস নুরুল হক
কুমিল্লা তথা সারা দেশের অন্যতম বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, আল্লামা শাইখুল হাদিস নুরুল হক সাহেব আর আমাদের মাঝে নেই। তিনি ছিলেন একজন প্রাজ্ঞ আলেম ও হাজারো আলেমের উস্তাদ। তাঁর ইন্তেকালে দ্বীনি অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মহান আল্লাহ তাআলা মরহুমের সকল নেক আমল কবুল করুন, তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, ছাত্র-শিক্ষক ও অসংখ্য গুণগ্রাহীকে এই শোক সইবার তাওফিক দান করুন। আমিন।
কুমিল্লা জেলা কাওমী মাদরাসা সংগঠনের সভাপতি, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর, কুমিল্লা জেলা সভাপতি এবং সুয়াগঞ্জ এলাকার বট্টগ্রাম হামিদিয়া কওমিয়া মাদরাসার মুহতামিম আল্লামা নুরুল হক ছিলেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা ০৬ আসনের এমপি মোঃ মনিরুল হক চৌধুরী। এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সহ মাওনা মোঃ আব্দুল কুদ্দুস সাহেব
শোকবার্তায় তারা বলেন, আল্লামা নুরুল হক সাহেব ছিলেন এ অঞ্চলের দ্বীনি শিক্ষার একজন পথিকৃৎ ও প্রাজ্ঞ আলেম। দ্বীনি শিক্ষার প্রসার এবং অসংখ্য আলেম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর ইন্তেকালে আলেম সমাজ ও দ্বীনি অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেলো। মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতের সুউচ্চ স্থান দিন।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৯০ বছর। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ১০ ছেলে, ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, ছাত্র ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দাতামা (সাতবাড়িয়া) গ্রামে।
আজ সকাল ১১টায় সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২ ঘটিকায় নিজ গ্রাম দাতামায় তাকে দাফন করা হবে। মরহুমের একমাত্র জামাতা মাওলানা নেজাম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
