দেশের শিক্ষিত তরুণ সমাজের বেকারত্বের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে বর্তমান সরকার সুদূরপ্রসারী ও যুগোপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (আরডিএ) ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন ও কারিগরি দক্ষতায় রূপান্তর করতে সরকার রূপরেখা তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীদের কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করলেই চলবে না, তাদের কর্মমুখী দক্ষতায় দক্ষ করে গড়ে তুলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় নবনিযুক্ত শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, গভীর দায়িত্বশীলতা ও আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি রপ্ত করে নিজেদের ভবিষ্যৎ রূপকার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রারম্ভিক প্রশিক্ষণ কোর্সের মূল লক্ষ্য হলো নতুন ক্যাডার কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষাব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনে পুরোপুরি প্রস্তুত করে তোলা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. সরদার মো. কেরামত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা দলের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুন্নাহার বেবি, বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক এবং আরডিএ-র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রশিক্ষণ নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে গতিশীলতা আনবে এবং দেশের শিক্ষা খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
