ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক শিক্ষার্থী বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে সংঘটিত সহিংসতা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। শনিবারের ওই সহিংসতায় হাজার হাজার দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
ফরাসি কর্তৃপক্ষ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে উগ্র বামপন্থী ও নৈরাজ্যবাদী বিভিন্ন গোষ্ঠী।
ঘটনার পর থেকেই দেশটির শীর্ষ রাজনীতিকেরা একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপের রাজনীতিতে লিপ্ত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোরাঁ নুনেজ এই সহিংসতার জন্য উগ্র বামপন্থীদের দায়ী করলেও, বিরোধী দলগুলো সরকারের অযোগ্যতা ও ব্যর্থতাকে কাঠগড়ায় তুলেছে।
আগামী ছয় মাসের মধ্যে ফরাসি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় রাজনৈতিক দলগুলো এই পরিস্থিতিকে নিজেদের অনুকле নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। সাধারণ মানুষ ও বিশ্লেষকদের মতে, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি সেবার মান হ্রাস এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি তরুণদের আস্থার সংকটই মূলত এই ক্ষোভের মূল কারণ।
