বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি জাপান। ২০২৩ সাল থেকে এ অবস্থানে রয়েছে দেশটি। এর আগে ২০১০ সালে চীনের কাছে দ্বিতীয় অবস্থান হারায় জাপান। পরে ২০২৩ সালে জার্মানির কাছে তৃতীয় স্থান হারিয়ে চতুর্থ স্থানে নেমে আসে দেশটি।
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকা থেকে ছিটকে পড়তে পারে জাপান। আগামী বছর দেশটির অবস্থান আরো দুই ধাপ পিছিয়ে ষষ্ঠ স্থানে নেমে আসতে পারে। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে উঠে আসতে পারে যথাক্রমে ভারত ও যুক্তরাজ্য। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ পূর্বাভাসে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর জাপান টুডে।
আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালে জাপানের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আর্থিক মূল্য দাঁড়াতে পারে ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৭৬০ কোটি ডলারে। একই সময় ভারতের জিডিপি হতে পারে ৪ লাখ ৫২ হাজার ১১০ কোটি ডলার। যুক্তরাজ্যের জিডিপি ঘুরে দাঁড়াতে পারে ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৮৯০ কোটি ডলারে।
বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি জাপান। ২০২৩ সাল থেকে এ অবস্থানে রয়েছে দেশটি। এর আগে ২০১০ সালে চীনের কাছে দ্বিতীয় অবস্থান হারায় জাপান। পরে ২০২৩ সালে জার্মানির কাছে তৃতীয় স্থান হারিয়ে চতুর্থ স্থানে নেমে আসে দেশটি।
আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে জাপানের জিডিপি হতে পারে ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১৯০ কোটি ডলার। জাপানের মুদ্রা ইয়েনের দুর্বল বিনিময় হার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধীরগতির কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দেশটির অবস্থান আরো পিছিয়ে পড়তে পারে। পূর্বাভাসে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের বিনিময় হার ১৫৮ ধরে হিসাব করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত সম্প্রসারণ হচ্ছে। ২০২৬ ও ২৭ অর্থবছরেই দেশটির প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। সংস্থাটির মতে, অভ্যন্তরীণ চাহিদার স্থিতিশীলতা এবং সেবা খাতের শক্তিশালী কার্যক্রম ভারতের প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।
যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২০২৬ সালে ১ দশমিক ৩ এবং ২০২৭ সালে ১ দশমিক ২ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত এপ্রিলে আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছিল, ২০২৯ সালে জাপানকে ছাড়িয়ে যাবে যুক্তরাজ্য। তবে নতুন পূর্বাভাসে দেখা যাচ্ছে, ২০২৭ সালেই দেশটি জাপানকে পেছনে ফেলতে পারে।
জাপানের প্রকৃত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২০২৬ ও ২০২৭—উভয় বছরেই দশমিক ৭ শতাংশে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আইএমএফ।
