আইফোন বিক্রিতে ‘রেশনিং’! একসঙ্গে কেনা যাবে না দু’টির বেশি মডেল। ভারতের বাজারে ‘আইফোন ডুয়ো’র চাহিদা হু-হু করে বাড়তে থাকায় এই সিদ্ধান্ত নিল নির্মাণকারী মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপ্ল। একই নিয়ম আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের মতো মডেলগুলির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে তারা।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকেই আইফোনের প্রথম ভাঁজ করা (পড়ুন, ফোল্ডেবল) মডেল ‘ডুয়ো’কে ঘিরে চড়তে থাকে পারদ। গত ১৬ অক্টোবরে এর আগাম বরাত (প্রি-অর্ডার) নিচ্ছিল অ্যাপ্ল। শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ভারতে বাজারে আসে ওই মুঠোবন্দি ডিভাইস। তার আগেই চাহিদার বহর দেখে নজিরবিহীন ভাবে একসঙ্গে দু’টির বেশি মডেল কেনায় ‘নিষেধাজ্ঞা’ জারি করেছে নির্মাণকারী মার্কিন টেক জায়ান্ট।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, অ্যাপ্লের ওয়েবসাইটে ঢুকে আইফোনের সর্বশেষ মডেলের বরাত দেওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন গ্রাহক। নয়া নির্দেশ জারির পর একটি অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকে দুইয়ের বেশি আবেদনে স্ক্রিনে ফুটে উঠছে একটি বিশেষ বার্তা। সেটি হল, ‘‘প্রতি গ্রাহক সর্বোচ্চ দু’টি আইফোন ডুয়ো কিনতে পারবেন।’’ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই নিয়ম শুধুমাত্র ভারতের জন্য প্রযোজ্য নয়। তালিকায় নামে রয়েছে আমেরিকা, চিন, সিঙ্গাপুর ও হংকঙেরও।
অ্যাপ্লের ক্ষেত্রে এই ধরনের পদক্ষেপ নতুন নয়। ২০০৭ সালে আইফোনের প্রথম মডেল বাজারে আনে তারা। তখনও ডিভাইসটিকে ঘিরে আমজনতার মধ্যে উৎসাহ বাড়তে থাকায়, সেটির ক্রয়ের সীমা দুই ইউনিটে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। যদিও এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি ওই মার্কিন টেক জায়ান্ট।
বিশেষজ্ঞদের অনুমান, চাহিদা বেশি থাকায় আগাম বরাতপ্রাপ্ত ‘আইফোন ডুয়ো’ গ্রাহকদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার সময়সীমা আগামী বছরের (পড়ুন, ২০২৭ সাল) জানুয়ারি পর্যন্ত সম্প্রসারিত হতে পারে। ভারতে ভাঁজ করা মডেলটির বিক্রির প্রথম দিনেই এর সরবরাহে সঙ্কট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অসাধু বিক্রেতারা অতিরিক্ত এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাম নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
