ঝালকাঠিতে দুই মাদককারবারি গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
নেয়ামুল আহসান হিরন/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হোসেনকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাকের হোসেন হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করছে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ চত্বর থেকে মিছিলটি বের হয়। পরে মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পৌর বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিল, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ওয়াশিকুর রহমান কল্লোল, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ, সদস্যসচিব আব্দুর রহিমসহ, কৃষক দল ও অন্যান্য অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিলে অংশ নেন। মিছিল থেকে সাকের হোসেন হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।
এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শারমীন নাহার রুমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে মামলাটি করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ জানান, মামলার সূত্র ধরে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। দ্রুত তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এর আগে, বুধবার ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে শাকের হোসেনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ওই কাউন্টারের মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বাড়িতে নেওয়ার পর গোসল করানোর সময় তার মাথার পেছনে ছিদ্র দেখতে পান। পরে তাকে আবার হাসপাতালে নেওয়া হয়। ময়নাতদন্তের সময় তার মাথা থেকে একটি গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
কাসেমুর শ্রাবণ/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হত্যার ঘটনায় মামলা
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাকের হোসেন হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে নিহতের স্ত্রী শারমীন নাহার রুমা বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
এ ঘটনায় সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ।
পুলিশ সুপার জানান, শাকের হোসেন হত্যার ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার সূত্র ধরে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ। দ্রুত জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এর আগে, বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে শাকের হোসেনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ওই কাউন্টারের মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বাড়িতে নেওয়ার পর গোসল করানোর সময় তার মাথার পেছনে ছিদ্র দেখতে পান। পরে তাকে আবার হাসপাতালে নেওয়া হয়। ময়নাতদন্তের সময় তার মাথা থেকে একটি গুলি উদ্ধার করা হয়।
কাসেমুর শ্রাবণ/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
মৌলভীবাজারে জেলা বিএনপি নেত্রীকে অব্যাহতি
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->মৌলভীবাজারে দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধরকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন ও সদস্যসচিব মো. আব্দুর রহিম রিপনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) গঠনতন্ত্র, নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলের দায়িত্বশীল মহলের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শ্যামলী সূত্রধরকে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। চিঠির অনুলিপি বিএনপির কেন্দ্রীয় ও সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে শ্যামলী সূত্রধরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
পুলক পুরকায়স্থ/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
ময়মনসিংহে প্রতিমা বিসর্জনের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একজনের মৃত্যু
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
নিহতের পরিবারের আহাজারি। ছবি: খবরের কাগজ
-->ময়মনসিংহের গৌরীপুরে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য বের করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সঞ্জীব চৌহান (৪৮) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ৯টার পর পৌর শহরের মাস্টারবাড়ি এলাকার ঝলক পূজামণ্ডপের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
সঞ্জীব ওই এলাকার শ্যামলাল চৌহানের ছেলে। তিনি স্থানীয় ঝলক মাস্টারপাড়া পূজা কমিটির সদস্য ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রাতে মাস্টারবাড়ি থেকে প্রতিমা বিসর্জনের উদ্দেশ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যখন মূর্তিসহ শোভাযাত্রা নিয়ে বের হচ্ছিলেন, ঠিক তখনই হঠাৎ একটি সচল বিদ্যুতের তার সঞ্জীব চৌহানের সামনে এসে পড়ে। বিপদ এড়াতে তিনি হাত দিয়ে বিদ্যুতের তারটি সরাতে যান। এ সময় অসাবধানতাবশত তারের সঙ্গে স্পর্শ লেগে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এমতাবস্থায় আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফেরদৌস আল মামুন বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই সঞ্জীবের মৃত্যু হয়েছে।’
ঝলক পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি অজিত চৌহান জানান, পূজামণ্ডপের আলোকসজ্জার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বারবার বলার পরও ছেঁড়া তারে টেপ প্যাঁচিয়ে দেওয়া হয়নি। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ব্যবহারের আগে তারের ছেঁড়া অংশ পরীক্ষা করে জোড়া দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা করা হয়নি। তাদের অবহেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কামরুজ্জামান মিন্টু/তামান্না রুপা/
