দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: অক্টোবর ২৩, ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
নারায়ণগঞ্জে তিন দিনের ব্যবধানে খুন হয়েছেন যুবদলের দুই নেতা। একজনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিরোধের জেরে। অন্যজনের মৃত্যুর পেছনেও পুরোনো দ্ব›দ্ব ও রাজনৈতিক বিরোধের অভিযোগ তুলেছেন স্বজনেরা। পৃথক দুই ঘটনায় নিহত দুজনই বিএনপির সহযোগী সংগঠন যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এতে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা এবং বিরোধের জেরে প্রাণহানির ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের ভ‚মিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত ১৮ অক্টোবর রাতে রূপগঞ্জের ভোলাব ইউনিয়নের পাইসকা এলাকায় খুন হন ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি রিপন মিয়া। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং ওয়াজ মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে কয়েক দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গত ৬ ও ৭ অক্টোবর এলাকায় একটি ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মাহফিলের কমিটিতে রিপন মিয়াসহ স্থানীয় কয়েকজনের নাম থাকলেও বিরোধী পক্ষের কয়েকজনের নাম না থাকায় উত্তেজনা তৈরি হয় বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের ছেলে শাওন মিয়া। তাঁর দাবি, এই বিরোধের জের ধরেই তাঁর বাবাকে হত্যা করা হয়েছে।
তিন দিনের মাথায় গত ২১ অক্টোবর রাতে সোনারগাঁয়ের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় হামলার শিকার হয়ে মারা যান আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জহির ফকির। এলাকায় তাঁর একটি ফার্মেসির দোকান রয়েছে।
জহির ফকিরের ভাগিনা ইসমাইল হোসেনের অভিযোগ, স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তাঁর মামার বিরোধ ছিল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার আলোচনা চলছিল তাঁকে ঘিরে। এই বিরোধের জেরেই পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।
জহির ফকিরের স্বজনদের দাবি অনুযায়ী, তিনি আগে থেকেই হত্যার আশঙ্কা করতেন।
