প্রতি বছরই উৎসবের আমেজ গায়ে মেখে ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন দেব। সফরসঙ্গী হন রুক্মিণী মৈত্র। যদিও এ বছরের ছবিটা কিছুটা আলাদা।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ২০:২৬
বক্স অফিসে সাফল্যের হাসি ‘দেশু ৭’-এর। ছবির জনপ্রিয়তার রেশ নিয়েই শহর ছেড়েছেন দেব। এ বার উৎসবের মরসুমে অভিনেতা-সাংসদের ঠিকানা নরওয়ে।
০২ / ১০
এই গল্প অবশ্য নতুন নয়। প্রতি বছরই উৎসবের আমেজ গায়ে মেখে ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন দেব। সফরসঙ্গী হন রুক্মিণী মৈত্র। যদিও এ বছরের ছবিটা কিছুটা আলাদা।
০৩ / ১০
সমাজমাধ্যমে দেবের নরওয়ে ভ্রমণের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই দর্শক খুঁজেছেন অভিনেত্রীকে। কিন্তু হতাশ হতে হয়েছে! না, এ বারের সফর প্রিয় মানুষটিকে ছাড়াই।
০৪ / ১০
যদিও এর নেপথ্যে রয়েছে অভিনেত্রীর ব্যস্ততার কারণও। এই মুহূর্তে কোচিতে আসন্ন বলিউড ছবি ‘শামুক’-এর শ্যুটিং নিয়েই ব্যস্ত তিনি।
০৫ / ১০
সম্প্রতি আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নিজেই সে কথা জানিয়েছেন নায়িকা।
০৬ / ১০
কাজেই এ বছর পুজোয় দুই তারকার ঠিকানা আলাদা হয়ে গিয়েছে।
০৭ / ১০
শুক্রবার নরওয়ে সফর থেকেই অভিনেতা ভাগ করে নেন আরও কিছু ছবি।
০৮ / ১০
পিছনে মেরুজ্যোতির রংবাহারি আকাশ। তার সঙ্গেই ছবি তুলেছেন দেব।
০৯ / ১০
অপরূপ এই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি না করে কি থাকা যায়! দেবের সমাজমাধ্যমে জ্বলজ্বল করছে সেই সব অলীক মুহূর্ত।
১০ / ১০
নেপথ্যে বাজছে জনপ্রিয় গান, ‘থাউজ়্যান্ড ইয়ার্স’। যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘আমি তোমাকে ভালবাসি হাজার বছর ধরে…’
পরবর্তী গ্যালারি
দেবীর পায়ের ছাপ রাখতে চান! লক্ষ্মীপুজোর আগে ঘরের কোন কোন জিনিস বদলে দিতে পারে সংসারের চেহারা?
পুরাণ ও জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদে সংসারে আসে সুখ-সমৃদ্ধি। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আগে ঘরে কোন কোন জিনিস রাখার কথা বলা হয়? জেনে নিন।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৪৭
০১ / ১২
কোজাগরী পূর্ণিমায় ঘরে ঘরে আরাধিত হবেন দেবী লক্ষ্মী। ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধির দেবীর আশীর্বাদ পেতে নানা নিয়ম মেনে পুজোর আয়োজন করেন ভক্তেরা।
০২ / ১২
প্রচলিত বিশ্বাস, দেবী লক্ষ্মী আড়ম্বরের চেয়ে ভক্তির টানেই বেশি সন্তুষ্ট হন। তবে পুজোর আয়োজনের পাশাপাশি গৃহস্থের পরিবেশ ও কিছু নির্দিষ্ট প্রতীক নিয়েও নানা রীতি প্রচলিত রয়েছে।
০৩ / ১২
পুরাণ ও জ্যোতিষশাস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী, বাড়িতে কয়েকটি বিশেষ জিনিস রাখা শুভ বলে মনে করা হয়। কী কী রাখতে পারেন ঘরে?
০৪ / ১২
দেবী লক্ষ্মীর পায়ের ছাপকে শুভ ও সমৃদ্ধির প্রতীক বলে মনে করা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস, গৃহস্থের অশুভ শক্তি দূর করতে এই প্রতীক সহায়ক। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, শুধু পায়ের ছাপ রাখলেই হয় না, কোথায় রাখা হচ্ছে, তা-ও গুরুত্বপূর্ণ।
০৫ / ১২
প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, বাড়ির সদর দরজায় দেবী লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ রাখা শুভ। বিশ্বাস করা হয়, এই পথ দিয়েই দেবী গৃহস্থের ঘরে প্রবেশ করেন। তাই প্রবেশপথে তাঁর পায়ের চিহ্ন রাখার রীতি বহু দিন ধরেই প্রচলিত।
০৬ / ১২
পুরাণ ও জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী লক্ষ্মীর কৃপায় সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। কর্মক্ষেত্র ও ব্যবসায় উন্নতির পাশাপাশি আর্থিক স্থিতি বজায় থাকুক, এমন কামনাতেই অনেকে বাড়িতে তাঁর পায়ের ছাপ রাখেন। বিশ্বাস করা হয়, এর ফলে সংসারে ইতিবাচক শক্তির পরিবেশ তৈরি হয়।
০৭ / ১২
হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে স্বস্তিক চিহ্নকে শুভ প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, বাড়ির প্রবেশপথে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকলে অশুভ শক্তির প্রবেশ বাধা পায়। তাই পুজোর আগে অনেকেই বাড়ির দরজায় এই চিহ্ন আঁকেন।
০৮ / ১২
পুরাণে কুবেরকে ধন-সম্পদের অধিপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই বিশ্বাস থেকেই অনেকের বাড়িতে কুবেরের ছবি রাখা হয়। প্রচলিত ধারণা, কুবেরের আশীর্বাদে সংসারে ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। তাই লক্ষ্মীপুজোর আগে ঘরে তাঁর ছবি রাখার রীতিও দেখা যায়।
০৯ / ১২
দেবী লক্ষ্মীর পাশাপাশি অনেক বাড়িতে গণেশের মূর্তি রাখার রীতিও রয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের আরাধনায় বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সংসারে শুভ শক্তির প্রভাব বজায় থাকে। সেই কারণেই পুজোর আয়োজনের সময় অনেকে বাড়িতে গণেশের মূর্তি রাখেন।
১০ / ১২
দেবী লক্ষ্মীর পায়ের ছাপকে ঘিরে নানা লোকবিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। অনেকে মনে করেন, বাড়িতে এই চিহ্ন থাকলে ইতিবাচক শক্তির পরিবেশ বজায় থাকে এবং সংসারের আর্থিক টানাপড়েন কমে।
১১ / ১২
দেবী লক্ষ্মীর আরাধনায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রচলিত বিশ্বাস, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বদলে পরিচ্ছন্ন ও গোছানো গৃহস্থেই দেবী বিরাজ করতে পছন্দ করেন। তাই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আগে ঘরদোর পরিষ্কার রাখা এবং পুজোর স্থান পরিচ্ছন্ন রাখার দিকে নজর দেন অনেকে।
১২ / ১২
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী লক্ষ্মীর কৃপা পেতে পুজোর নিয়ম পালনের পাশাপাশি বাড়ির পরিবেশও পরিচ্ছন্ন ও শান্তিপূর্ণ রাখা জরুরি। তবে এই রীতিগুলি মূলত প্রচলিত ধর্মীয় ও জ্যোতিষশাস্ত্রভিত্তিক বিশ্বাসের অংশ। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
