ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আগামী কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক পদে আলমগীর হোসেনকে দেখতে চান তাঁর সমর্থক ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। বিমানবন্দর থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আলমগীর হোসেনকে নতুন কমিটিতে যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সমর্থকদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, দলীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্কের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আগামী কমিটিতে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে।
আলমগীর হোসেনের সমর্থকদের ভাষ্য, ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে যুবদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করার মধ্য দিয়ে তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে পারবেন বলে মনে করেন তাঁর অনুসারীরা।
তাঁদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে আলমগীর হোসেন রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও দলীয় কর্মসূচিতে তাঁর অংশগ্রহণ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা তাঁকে নেতাকর্মীদের কাছে পরিচিত করে তুলেছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নতুন কমিটিতে তাঁর রাজনৈতিক অবদানের মূল্যায়ন করা উচিত বলে মনে করেন সমর্থকেরা।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, একটি রাজনৈতিক সংগঠনকে শক্তিশালী করতে অভিজ্ঞ ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের বিকল্প নেই। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা, দলীয় কর্মসূচিতে তাঁদের সম্পৃক্ত করা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সমন্বয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ নেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তাঁদের দাবি, আলমগীর হোসেনের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের যোগাযোগ থাকায় তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে সংগঠনের কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নতুন কমিটি ঘিরে পদপ্রত্যাশী ও তাঁদের অনুসারীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় ত্যাগী, পরীক্ষিত ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নেতাদের মূল্যায়নের বিষয়টি সামনে আনছেন আলমগীর হোসেনের সমর্থকেরা। তাঁদের মতে, নতুন কমিটিতে দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, দলের প্রতি দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা এবং নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
সমর্থকেরা আরও মনে করেন, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতাদের যথাযথ দায়িত্ব দেওয়া হলে যুবদলের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা সহজ হবে। এ ক্ষেত্রে আলমগীর হোসেনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে তাঁদের অভিমত।
সব মিলিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আগামী কমিটিতে আলমগীর হোসেনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চান তাঁর সমর্থক ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক অবদান বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে সম্মানজনক দায়িত্ব দেওয়া হবে।
