আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইজরায়েলে সংসদীয় নির্বাচনের ঠিক মুখেই সে দেশে অঘোষিত সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে গোপন বৈঠক করলেন আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
দিন কয়েক আগেই নেতানিয়াহুকে নির্বাচনে সমর্থন জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পরই এই বিশেষ সফর ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। যদিও দু’দেশের কেউই বৈঠক নিয়ে মুখ খোলেনি।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের রক্তক্ষয়ী হামলার পর এই প্রথম ইজরায়েলে ভোট হতে চলেছে। তবে জনমত সমীক্ষা বলছে, নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে। অন্য দিকে বিরোধীদের পক্ষেও সরকার গড়া খুব সহজ হবে না। এই টালমাটাল অবস্থাতেই নেতানিয়াহুর হাত ধরেছেন ট্রাম্প।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সমর্থনে নেতানিয়াহু কিছুটা স্বস্তি পেলেও নির্বাচনে তার প্রভাব হবে সীমিত। ইজরায়েলি সমাজ এখন মারাত্মক ভাবে বিভক্ত। ট্রাম্প হয়তো কয়েকটি আসন বাড়াতে সাহায্য করতে পারেন, তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতার যে বড় সঙ্কট রয়েছে, তা রাতারাতি মেটানো অসম্ভব।
অনেকে আবার মনে করছেন, এই রাজনৈতিক আঁতাতের মূল লক্ষ্য ইরান যুদ্ধ। নভেম্বরের গোড়ায় আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচন। ভোটাররা কেন্দ্রে যাওয়ার আগেই ইজরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে পেন্টাগন ইরানে নতুন আক্রমণ ছকছে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা।
তবে আমেরিকার অন্দরে যে এই নিয়ে দ্বিমত রয়েছে, তার বড় প্রমাণ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। নেতানিয়াহুকে আমেরিকার যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য দায়ী করে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি ইজরায়েলের নির্বাচনে কোনও ভাবেই হস্তক্ষেপ করতে চান না।
