রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন: "যে ব্যক্তি জাহেলিয়াতের স্লোগান বা গোত্রভিত্তিক অন্ধ অহংকারের দিকে মানুষকে ডাকবে, সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।"
মুহাম্মদ আবুল হুসাইন
'কওমী' (قومي) একটি আরবি শব্দ, যার সাধারণ বা আভিধানিক অর্থ হলো 'জাতীয়' (National), গোত্রীয় বা সম্প্রদায়গত। এটি আরবি 'কওম' (قوم) শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ জাতি, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়। তবে বাংলাদেশে এবং ভারতীয় উপমহাদেশে 'কওমী' শব্দটি একটি বিশেষ পারিভাষিক অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা বৈশ্বিক সাধারণ অর্থের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন:
- বেসরকারি বা জাতীয় ঐতিহ্যবাহী: বাংলাদেশে 'কওমী মাদ্রাসা' বলতে এমন শিক্ষাব্যবস্থাকে বোঝায় যা সরকারি অনুদান বা নিয়ন্ত্রণ মুক্ত এবং সম্পূর্ণভাবে জনসাধারণ ও মুসলিম সম্প্রদায়ের সাহায্য-সহযোগিতায় পরিচালিত হয়।
- ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য: এই অর্থে 'কওমী' বলতে বোঝায় যা নির্দিষ্ট কোনো সরকারের অধীনে নয়, বরং মুসলিম 'কওম' বা জাতির নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য জনমানুষের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
সহজ কথায়, বিশ্বজুড়ে আরবি ভাষায় 'কওমী' মানে 'রাষ্ট্রীয় বা জাতীয়' (যেমন: আল-শাবাব আল-কওমী বা জাতীয় যুব সংস্থা), কিন্তু আমাদের দেশে এর প্রায়োগিক অর্থ 'বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা কওমের (জনসাধারণের) নিজস্ব'।
ইসলামে নিজের গোত্র বা বংশকে কেবল পারস্পরিক পরিচিতি এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যম হিসেবে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যখনই এই গোত্র বা বংশের পরিচয় "জাতীয়তাবাদ" বা "অন্ধ দলপ্রীতি" (আসাবিয়্যাহ)-তে রূপ নেয়—যেখানে হক-বাতিলের তোয়াক্কা না করে কেবল নিজের দলের বা বংশের শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করা হয়—তখনই তা ইসলামে কঠোরভাবে হারাম এবং জাহেলিয়াত হিসেবে গণ্য হয়।
হারিস আল-আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন: "যে ব্যক্তি জাহেলিয়াতের স্লোগান বা গোত্রভিত্তিক অন্ধ অহংকারের দিকে মানুষকে ডাকবে, সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।"
সাহাবিগণ জিজ্ঞেস করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! সে যদি সালাত (নামাজ) আদায় করে এবং সিয়াম (রোজা) পালন করে, তবুও?"
রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, "হ্যাঁ, সে যদি নামাজ পড়ে, রোজা রাখে এবং নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করে, তবুও (সে জাহান্নামী)। অতএব, তোমরা আল্লাহর দেওয়া নামে ডাকো, যিনি তোমাদের নাম রেখেছেন মুসলিম, মুমিন এবং আল্লাহর বান্দা।" (মুসনাদে আহমাদ, তিরমিজি)
হাদিসটি ইমাম আহমাদ তাঁর 'মুসনাদ' গ্রন্থে এবং ইমাম তিরমিজি (হাদিসটি হাসান ও সহিহ বলেছেন) সংকলন করেছেন।
অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি, বর্তমানে কওমি ঘরানার আলেমরা নিজেদেরকে একটি স্বতন্ত্র গোষ্ঠিতে পরিণত করেছেন। তারা নিজেদেরকে একমাত্র ‘‘হকপন্থী ও সর্বশ্রেষ্ঠ’ এবং কওমী ঘরানার বাইরের আলেমদেরকে বিভ্রান্ত ও নিকৃষ্ট মনে করে থাকেন। তাদের কারণে আলেমদের মধ্যে অনৈক্য ও বিভেদ বাড়ছে।
ইসলাম-পূর্ব আরবে (জাহেলী যুগে) মানুষের মূল নীতিই ছিল: "তোমার ভাই (গোত্রের লোক) জালেম হোক বা মজলুম হোক, তাকে অন্ধভাবে সাহায্য করো।" অর্থাৎ, নিজের গোত্রের লোক অন্যায় করলেও তার পক্ষ নিয়ে অন্য গোত্রের ওপর আক্রমণ করা হতো।
ইসলাম এসে এই অন্ধ জাতীয়তাবাদকে উপড়ে ফেলে ন্যায়বিচারের সার্বজনীন নীতি প্রতিষ্ঠা করে। ইসলাম বলে, নিজের বাবা, সন্তান বা গোত্র যদি অন্যায় করে, তবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সত্যের পক্ষ নিতে হবে।
ইসলামে দেশপ্রেম (নিজের জন্মভূমিকে ভালোবাসা এবং তার কল্যাণ কামনা করা) এবং জাতীয়তাবাদ (বংশ বা ভৌগোলিক সীমানার ভিত্তিতে নিজেকে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করা এবং অন্ধ পক্ষাবলম্বন করা)—এই দুটির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে:
- অনুমোদিত ভালোবাসা: নিজের পরিবার, গোত্র বা দেশকে ভালোবাসা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজেও নিজের জন্মভূমি মক্কাকে ভীষণ ভালোবাসতেন।
- নিষিদ্ধ জাতীয়তাবাদ: যখন এই ভালোবাসা অন্ধ রূপ নেয় এবং মানুষ বলতে শুরু করে "আমার জাতি বা দেশ ভুল করলেও আমি তার পক্ষেই থাকব" অথবা "আমাদের বংশই সেরা, বাকিরা নিকৃষ্ট"—তখনই তা 'জাহেলিয়াত' বা হারাম জাতীয়তাবাদে রূপ নেয়।
সারসংক্ষেপ: আপনার উত্থাপিত পয়েন্টটি সম্পূর্ণ সঠিক। ইসলামে বংশীয় বা গোত্রীয় অহংকার এবং সেই ভিত্তিতে দলাদলি করা স্পষ্ট হারাম। একজন মুসলমানের আসল পরিচয় সে মুসলিম এবং উম্মাহর অংশ; বংশ বা গোত্র কেবল একটি সামাজিক পরিচিতি মাত্র।
ইসলামী পরিভাষায় এবং আকাবিরদের সোনালী ইতিহাসে এই ধরনের সংকীর্ণ মানসিকতার কোনো স্থান নেই। কওমি ঘরানার প্রতিষ্ঠাতা ও পূর্বসূরি আকাবিরদের মূল আদর্শ যেখানে ছিল উদারতা এবং উম্মাহর ঐক্য, সেখানে বর্তমান সময়ে এসে কোনো কোনো মহলে যে সংকীর্ণতা বা দলপ্রীতি দেখা যাচ্ছে, তা মূলত পূর্বে আলোচিত সেই 'আসাবিয়্যাহ' বা অন্ধ গোষ্ঠীপ্রীতিরই একটি আধুনিক রূপ।
ইসলামে 'আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআত' বা সঠিক পথের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। ঈমানের মূল বিষয়গুলো ঠিক রেখে ফিকহী বা কার্যগত বিষয়ে (যেমন: হানাফী, শাফেয়ী, মালেকী, হাম্বলী, কিংবা সালাফী ও আহলে হাদিস ভাইদের মধ্যে) মতপার্থক্য থাকাটা স্বাভাবিক এবং এটি সাহাবিদের যুগ থেকেই চলে আসছে।
- কোনো নির্দিষ্ট মাদ্রাসা, দল, বা সিলসিলার সাথে যুক্ত থাকাই পরিত্রাণের একমাত্র গ্যারান্টি হতে পারে না।
- পূর্বসূরি ওলামায়ে কেরাম কখনোই নিজেদের মতামতকে একমাত্র ধ্রুব সত্য এবং অন্যদের মতামতকে বাতিল বা নিকৃষ্ট মনে করতেন না। তারা বলতেন: "আমার মতামত সঠিক, তবে এতে ভুলের সম্ভাবনা আছে; আর অন্যের মতামত ভুল মনে হলেও তাতে সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা আছে।"
কুরআন ও হাদিসে আলেমদেরকে উম্মাহর পথপ্রদর্শক এবং নবীগণের উত্তরাধিকারী বলা হয়েছে। কিন্তু যখন পথপ্রদর্শকদের মধ্যেই কাদা ছোড়াছুড়ি, অহংকার এবং অন্যকে তুচ্ছজ্ঞান করার প্রবণতা বাড়ে, তখন সাধারণ মানুষের মাঝে দ্বীনের প্রতি এক ধরনের অনীহা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) দ্বীনি বিষয়ে কঠোরতা ও সংকীর্ণতা পরিহার করে সহজীকরণ ও মানুষকে কাছে টানার নির্দেশ দিয়েছেন।
পূর্বে আমরা যে হাদিসটি আলোচনা করেছি—যেখানে রাসুলুল্লাহ (সা.) গোত্র বা বংশের ভিত্তিতে অন্ধ অহংকারকে 'জাহেলিয়াত' বলেছেন—বর্তমান যুগে তার প্রয়োগ কেবল বংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমান যুগে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল, পীর-মুরিদির সিলসিলা বা মাদ্রাসার ঘরানাকে কেন্দ্র করে যদি কেউ অন্ধ দলপ্রীতি তৈরি করে এবং নিজের দলের বাইরের সব সৎ মানুষকেও 'ভ্রান্ত বা নিকৃষ্ট' মনে করে, তবে তাও এক প্রকার সাংগঠনিক বা ঘরানাভিত্তিক আসাবিয়্যাহ, যা ইসলামে পুরোপুরি নিন্দনীয়।
উম্মাহর এই সংকটের মাঝেও কওমি ঘরানা এবং অন্যান্য ঘরানার মধ্যেও এমন অনেক উদারপন্থী, মুখলিস ও দূরদর্শী আলেম আছেন, যারা উম্মাহর ঐক্যের জন্য কাজ করছেন। তারা অন্য ঘরানার আলেমদের ইলম ও আমলকে শ্রদ্ধা করেন এবং পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি দূর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাই সংকীর্ণতা যাদের মধ্যে রয়েছে, সমালোচনাটা মূলত সেই বিশেষ মানসিকতার প্রতি, পুরো ঘরানার প্রতি নয়।
ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে ব্যক্তিকে তার দল বা ঘরানা দিয়ে নয়, বরং তার ইলম, তাকওয়া এবং কুরআন-সুন্নাহর অনুসরণের মানদণ্ডে মূল্যায়ন করতে। ওলামায়ে কেরামের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি ও বিভেদ দূর করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্য ফিরিয়ে আনা এই সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
ইসলামে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জ্ঞানতাত্ত্বিক গবেষণার (ইজতিহাদ) সুযোগ থাকার কারণে মতপার্থক্য হওয়াটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ি এবং বড় বড় ইমামদের মধ্যেও দ্বীনের বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য ছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে আমাদের বর্তমান যুগের মতো কাদা ছোড়াছুড়ি বা হিংসা-বিদ্বেষ ছিল না।
ইসলামী শরীয়তে মতপার্থক্যের ক্ষেত্রে যে সুনির্দিষ্ট আদব ও নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে, তাকে 'আদাবুল ইখতিলাফ' (آداب الاختلاف) বা মতপার্থক্যের শিষ্টাচার বলা হয়। নিচে এর মূল নীতিমালাগুলো আলোচনা করা হলো:
১. নিয়তের ইখলাস (বিশুদ্ধ উদ্দেশ্য)
যেকোনো দ্বীনি আলোচনায় মূল উদ্দেশ্য হতে হবে সত্যকে উন্মোচন করা, নিজের অহংকার প্রকাশ বা অন্যকে হারিয়ে দেওয়া নয়। ইমাম শাফেয়ী (রহ.) বলতেন:
"আমি যখনই কারো সাথে বিতর্ক করেছি, তখনই আল্লাহর কাছে দোয়া করেছি যেন আল্লাহ সত্যকে আমার প্রতিপক্ষের মুখ দিয়ে প্রকাশ করেন (যাতে আমি তা মেনে নিতে পারি)।"
২. ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা ও সংকীর্ণতা পরিহার
ইসলামের মৌলিক বিষয় (আকিদা) ছাড়া শাখা-প্রশাখামূলক বা ফিকহী বিষয়ে (যেমন: সালাতের নিয়ম, আমিন জোরে বা আস্তে বলা ইত্যাদি) একাধিক সঠিক মত থাকার সুযোগ রয়েছে।
- কোনো একটি মতকে নিজের জন্য পছন্দ করার অর্থ এই নয় যে, অন্য মতটি বাতিল বা নিকৃষ্ট।
- সাহাবিদের যুগে একদল সাহাবি আসরের সালাত পথিমধ্যে পড়েছিলেন, অন্য দল বনু কুরাইজায় গিয়ে পড়েছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) কোনো দলকেই তিরস্কার করেননি।
৩. ঢালাওভাবে কাফের, ফাসেক বা গোমরাহ বলার প্রবণতা বর্জন
বর্তমানে সামান্য মতপার্থক্যের কারণেই একে অপরকে 'ভ্রান্ত', 'বাতিল' বা 'জাহান্নামী' বলে ফতোয়া দেওয়ার একটি ভয়াবহ প্রবণতা দেখা যায়। অথচ হাদিসে এসেছে, কেউ যদি তার কোনো মুসলিম ভাইকে কাফের বলে এবং সে যদি বাস্তবে তা না হয়, তবে সেই ফতোয়া ফতোয়াদানকারীর নিজের ওপরই বর্তায় (সহিহ বুখারি)। তাই সুনির্দিষ্ট শরয়ী দলীল ছাড়া কাউকে বিভ্রান্ত আখ্যা দেওয়া যাবে না।
৪. 'আল-ইনসাফ' বা ন্যায়পরায়ণতা রক্ষা করা
কারো সাথে মতের অমিল হলেও তার ভেতরের ভালো গুণ, দ্বীনের জন্য তার কুরবানি এবং তার ইলমের অবমূল্যায়ন করা যাবে না। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে: "কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদের এমন উত্তেজিত না করে যে, তোমরা ন্যায়বিচার পরিত্যাগ করবে।" (সূরা আল-মায়েদাহ: ৮)। অর্থাৎ, প্রতিপক্ষের ভালো কাজেরও স্বীকৃতি দিতে হবে।
৫. 'মায়রুফ' বা স্বীকৃত বিষয়ে কঠোরতা না করা
ইসলামী ফিকহের একটি বড় নীতি হলো—যেসব বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের মাঝে প্রাচীনকাল থেকেই একাধিক মতামত চলে আসছে (ইখতিলাফী বিষয়), সেসব বিষয়ে সাধারণ মানুষকে কোনো একটি মত মানার জন্য জোরাজুরি করা বা তা নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ করা নিষিদ্ধ।
৬. ভাষার শালীনতা ও গীবত পরিহার
ইসলামে যে কারো পেছনে তার সমালোচনা বা গীবত করা হারাম। অথচ বর্তমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ঘরানার মানুষ অন্য ঘরানার আলেমের চরিত্র হনন ও ব্যঙ্গাত্মক উপনাম দিতে দ্বিধাবোধ করছে না। মতপার্থক্য প্রকাশ করতে হবে অত্যন্ত নরম ও সুন্দর ভাষায়, যুক্তি দিয়ে; গালি বা উপহাস দিয়ে নয়।
একবার ইমাম শাফেয়ী (রহ.) তাঁর প্রিয় ছাত্র ইউনুস ইবনে আবদিল আলার সাথে একটি ফিকহী বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেন। বিতর্কের পর ছাত্র রাগ করে বাড়ি চলে যান। রাতে ইমাম শাফেয়ী স্বয়ং ছাত্রের বাড়িতে গিয়ে হাত ধরে বললেন, "হে ইউনুস! একটি মাত্র মাসআলায় আমাদের মিল হয়নি দেখে কি আমাদের শত বছরের ভাই ভাই সম্পর্কটা নষ্ট হয়ে যাবে?"
আজকের ওলামায়ে কেরাম ও সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে যদি আকাবিরদের এই উদারতা ও শিষ্টাচার ফিরে আসে, তবেই কেবল উম্মাহর ঐক্য সম্ভব।
