নিজস্ব প্রতিবেদক · ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ৪:৫২ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জ শহরের একটি পারিবারিক মন্দির থেকে চুরি হওয়া দেড়শ বছরের পুরোনো তিনটি প্রতিমা ও পূজার মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ।
চুরির যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রাম থেকে এসব সামগ্রী উদ্ধার করে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় একজনকে আটকও করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ গ্রাম থেকে প্রতিমা ও পূজার সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো মন্দিরের মালিক রাজগোবিন্দ চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রতন শেখ জানান, বুধবার ভোরে পৌর শহরের বাধনপাড়া এলাকার গোবিন্দ চক্রবর্তীর পারিবারিক মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে। বাড়ির পেছন দিক দিয়ে প্রবেশ করে মন্দিরের তালা ভেঙে প্রতিমা ও পূজার বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে যায় চোরেরা।
চুরি হওয়া প্রতিমার মধ্যে রয়েছে ২০ কেজি ওজনের দুই ফুট উচ্চতার মদনমোহন, ১৫ কেজি ওজনের এক ফুট উচ্চতার রাধা এবং সাত ইঞ্চি উচ্চতার গণেশ মূর্তি। এ ছাড়া একটি সোনার চেইন, একটি রুপার বাঁশি, তিনটি সোনার চূড়া, পুরোনো কাঁসার বাসন, শীলা, শালগ্রাম শিলাসহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী চুরি হয়। বাড়ির পাশের একটি স্টেশনারি দোকান থেকে নগদ টাকাও নিয়ে যায় চোরেরা।
ওসি বলেন, চুরির খবর পাওয়ার পর তিনি ও পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) অভিজিৎ ভৌমিক উদ্ধার অভিযানে নামেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ গ্রামে অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া প্রতিমা ও সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, পৌর শহরের হাসনগর এলাকার এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
প্রতিমা ও পূজার সামগ্রী ফিরে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন গোবিন্দ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, পূজা শুরুর আগেই প্রতিমা ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী ফিরে পেয়ে তারা খুব খুশি। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
গুগলে আমাদের খবর পেতে
