দুর্দান্ত ফর্মে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাদা বলের (ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি) অধিনায়ক শাই হোপ। ভারত সফরে এসে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দুটি করে সেঞ্চুরি করেছেন। নিজের সর্বশেষ ৭ ম্যাচে তার ম্যাজিক ফিগারের সংখ্যা চারটি। এ ছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম কোনো ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি করেছেন হোপ। তার রেকর্ডের রাতে ভারতকে হারিয়ে ক্যারিবীয়রা সিরিজে সমতা (২-২) ফিরিয়েছে।
হায়দরাবাদে সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করতে নেমে সফরকারীরা ৩ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে। ইনিংসের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হোপ। ৫০ বলে ৪ চার ও ৯ ছক্কায় তিনি ১০২ রানে অপরাজিত ছিলেন। এ ছাড়া শেরফান রাদারফোর্ড ২৬ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৪৯ এবং শিমরন হেটমায়ার ১২ বলে ৩৩ রান করেন।
এর আগে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ২০৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় জয়ের রেকর্ড ছিল ভারতের। ফলে ক্যারিবীয়দের হারাতে তাদের রেকর্ডই গড়তে হতো। জবাব দিতে নেমে মাত্র ৩ ওভারেই দ্রুততম দলীয় ৫০ রানে পৌঁছার রেকর্ড গড়ে শ্রেয়াস আইয়ারের দল। সঞ্জু স্যামসন ২০ বলে হাফসেঞ্চুরির পর ৫৬ রানে আউট হন। আরেক ওপেনার অভিষেক শর্মার (২৪ বলে ২৯) ব্যাটে এদিন ধার ছিল না। এ ছাড়া মাঝে কয়েকটি উইকেট দ্রুত হারালে ভারত বিপদে পড়ে।
তিলক ভার্মা ২৫ বলে ৪৩ এবং নীতিশ কুমার রেড্ডি ২০ বলে ৪১ রান করলে স্বাগতিকদের আশা বেঁচে ছিল। কিন্তু তারা ধরা খায় কিমো পলের বলে। এই মিডিয়াম পেসার ৫ উইকেট শিকার করে ভারতকে ৩ বল বাকি থাকতেই ২২৩ রানে গুটিয়ে দেন। ২৪ রানের ব্যবধানে জিতে ক্যারিবীয়রা সিরিজ জয়ের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে। পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে আগামী শনিবার মুখোমুখি হবে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে এতদিন সর্বোচ্চ দুটি করে সেঞ্চুরি ছিল তিন জনের। তবে ক্রিস গেইল ও এভিন লুইসকে ছাড়িয়ে শাই হোপ তৃতীয় সেঞ্চুরি করেছেন। মজার বিষয় হচ্ছে– ফরম্যাটটিতে ক্যারিবীয় অধিনায়কের করা তিনটি সেঞ্চুরিই থেমেছে ১০২–এ। এ ছাড়া দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে যৌথভাবে সর্বোচ্চ দুটি করে সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়লেন হোপ। বাকিরা হচ্ছেন– ফিল সল্ট, সঞ্জু স্যামসন, তিলক ভার্মা ও মোহাম্মদ ইহসান।
