The Sangbad · সাধারণ
৩ ঘণ্টার আপ্রাণ চেষ্টায় টঙ্গীতে আগুন নিয়ন্ত্রণে
১৪/১০/২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গী শিল্প এলাকার ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের ওষুধ উৎপাদন কারখানার ভয়াবহ আগুন তিন ঘণ্টারও বেশি সময়ের যৌথ প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে।বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ২টা ১০ মিনিটে ঘটনাস্থলে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।প্রেস ব্রিফিংয়ে মহাপরিচালক জানান, বেলা ১টা ৩৫ মিনিটে কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় ফায়ার সার্ভিসের মোট ২১টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও অগ্নি নির্বাপণ কাজ শুরু করে। আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ ও ডাম্পিং ডাউনের কাজে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন একযোগে কাজ করে।ফায়ার সার্ভিস ডিজি আরও জানান, সাত তলা ভবনের দ্বিতীয় ও চতুর্থ তলায় আগুনের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি ছিল। ইনজেকশনসহ বিভিন্ন জরুরি ওষুধ ও রাসায়নিক সামগ্রী পুড়ে ধোঁয়ার সৃষ্টি হওয়ায় উদ্ধারকর্মীদের প্রবল শ্বাসকষ্টের সম্মুখীন হতে হয়। অগ্নিকাণ্ডে কোনো সাধারণ নাগরিকের প্রাণহানি না ঘটলেও ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় তাকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে।সরেজমিনে জানা যায়, বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে স্কুইব রোডে অবস্থিত কারখানাটির ২ নম্বর ইউনিটের চার তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। শুরুতে কারখানার নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং ব্যবস্থার মাধ্যমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়। তবে আগুনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে টঙ্গী, সাভার, গাজীপুর, আশুলিয়া ও ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন ফায়ার স্টেশন থেকে ২১টি ইউনিট উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। অগ্নিকাণ্ড ও ধোঁয়ার প্রভাবে সংলগ্ন দুই কিলোমিটার এলাকায় গণপরিবহন ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কিছু সময়ের জন্য থমকে যায়।কারখানাটির ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বাদল জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন রোখার চেষ্টা করা হলেও আগুনের তীব্রতা দ্রুত বাড়ায় পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত সহায়তা নেওয়া হয়।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗