October 22, 2026, 3:20 pm
নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করবেন না, সরকারকে বিরোধীদলীয় নেতা
Reporter Name
- Update Time : Thursday, October 22, 2026
- 11 Time View
রাজনীতি ডেস্ক: রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ এবং এর জেরে শত শত পর্যটকের আটকা পড়ার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তার মাধ্যমে তিনি এই পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খোলেন এবং অবিলম্বে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। পাহাড়ি অঞ্চলে হঠাৎ এই ধরনের সহিংসতার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ভ্রমণপিপাছুদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ওই পোস্টে বিরোধীদলীয় নেতা উল্লেখ করেন যে, সাজেক এলাকাকে ঘিরে আসলে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা নিয়ে গভীরভাবে ভেবে দেখা দরকার। তিনি মনে করেন, কোনো রকম যাচাই-বাছাই না করে বা ভুল গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভর করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই যেকোনো ধরনের অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়াতে সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি তিনি জোরালো আহ্বান জানান।
সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার তীব্র সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন যে, সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে কোনো ধরনের তামাশা করার অধিকার কারোরই নেই। তিনি সরকারের দায়িত্বশীলদের প্রতি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে উল্লেখ করেন যে, সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই যেন দ্রুত এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনতে এবং পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত জোরালো ভূমিকা রাখা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
উল্লেখ্য, সাজেক ভ্যালিতে সাম্প্রতিক গোলাগুলির ঘটনার কারণে প্রায় দুই হাজার পর্যটক সেখানে আটকা পড়েন, যা সমগ্র দেশবাসীর মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঘুরতে যাওয়া সাধারণ মানুষ এই আকস্মিক পরিস্থিতিতে চরম ভোগান্তির শিকার হন এবং তাদের উদ্ধার কিংবা নিরাপত্তা বিধানের বিষয়টি এখন প্রধান আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতার এই বক্তব্যের পর পাহাড়ি অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পর্যটকদের সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে ভাববার সময় এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com


