মধু কাম্বিকারছবি: সংগৃহীত
Published on
:
1 min read
অপ্ভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর মাত্র চার দিনের মাথায় প্রয়াত হলেন অভিনেতার পর্দার মা বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শিল্পী মধু কাম্বিকার। পুনেতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৩। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। ২০১৬ সালে স্ট্রোক হওয়ার পর থেকেই একাধিক শারীরিক জটিলতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন। মারাঠি সিনেমা, থিয়েটার, টেলিভিশন এবং লোকশিল্পের জগতে তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
‘হাম দোনো’ এবং ‘ইয়শবন্ত’ ছবিতে নানার মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন মধু। পর্দায় নানার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করলেও বাস্তবে তিনি অভিনেতার চেয়ে দু’বছরের ছোট ছিলেন। ১৯৯৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘হাম দোনো’। শফি ইনামদার পরিচালিত এই ছবিতে নানা পাটেকর ছাড়াও অভিনয় করেছিলেন ঋষি কাপুর ও পূজা ভাট। ছবির গল্পে নানা ও ঋষি কাপুরের চরিত্রকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল পরিচয় ও সম্পর্কের নানা জটিলতা। এই ছবিতেই নানার মায়ের ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল মধু কাম্বিকারকে।
মারাঠি থিয়েটার, টেলিভিশন এবং মহারাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের সঙ্গেও তাঁর নিবিড় যোগাযোগ ছিল। বিশেষ করে লাবণী নৃত্যশিল্পী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। ২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর মুম্বইয়ের মাতুঙ্গায় যশবন্ত নাট্যমন্দিরে একটি লাবণী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন মধু কাম্বিকার। দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর বিরতির পর মঞ্চে ফিরেছিলেন তিনি।
সেই অনুষ্ঠান চলাকালীনই অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়ার পরেও প্রথমে পরিবেশনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। পরে তাঁর ডান হাতে অসাড়তা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।
স্ট্রোকের পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। ধীরে ধীরে অভিনয় ও মঞ্চের কাজ থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য হন তিনি। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার সঙ্গে লড়াইয়ের পর অবশেষে ১২ অক্টোবর তাঁর জীবনাবসান হয়। মধু কাম্বিকরের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ।
