ফ্রান্সজুড়ে স্কুলশিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্যারিসের উপকণ্ঠে একটি মাধ্যমিক স্কুলের সামনে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের সাথে অংশ নেন ২৩ বছর বয়সী এই কর্মী।
বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে আল জাজিরা মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জানায়, রাজধানী প্যারিসের সবচেয়ে বড় উপশহর সাঁ-দেনির পল এলুয়ার মাধ্যমিক স্কুলের সামনে বিক্ষোভে যোগ দেন থুনবার্গ। ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার মধ্যেই তিনি সেখানে উপস্থিত হন।
থুনবার্গ কিশোরী বয়সে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে স্কুল বর্জন আন্দোলন করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান। এবার ফ্রান্সের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তরুণদের কোনো কথাই শোনা হচ্ছে না। আমাদের ভবিষ্যৎ কেড়ে নেয়া হচ্ছে।’
ফ্রান্সজুড়ে কেন বিক্ষোভ
এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের রাস্তায় নামেন ৭০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী।
প্যারিস অঞ্চলে ভোর হওয়ার আগেই কিশোর শিক্ষার্থীরা কয়েকটি স্কুলের ঢোকার পথ আটকে দেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মার্সেইয়ে শিক্ষার্থীরা ময়লার পাত্র ঠেলে নিজেদের স্কুলের সামনে নিয়ে জড়ো করেন।
আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে ফ্রান্সের বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুলে। কোথাও কোথাও শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হচ্ছে দাঙ্গা পুলিশ। তবে শিক্ষা বছরের মধ্যকালীন ছুটির আগে বিক্ষোভ কমে আসবে বলে আশা করছিল কর্তৃপক্ষ। এখনো সেই আশা পূরণ হয়নি।
ফ্রান্সজুড়ে স্কুলশিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্যারিসের উপকণ্ঠে একটি মাধ্যমিক স্কুলের সামনে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের সাথে অংশ নেন ২৩ বছর বয়সী এই কর্মী।
বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে আল জাজিরা মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জানায়, রাজধানী প্যারিসের সবচেয়ে বড় উপশহর সাঁ-দেনির পল এলুয়ার মাধ্যমিক স্কুলের সামনে বিক্ষোভে যোগ দেন থুনবার্গ। ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার মধ্যেই তিনি সেখানে উপস্থিত হন।
থুনবার্গ কিশোরী বয়সে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে স্কুল বর্জন আন্দোলন করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান। এবার ফ্রান্সের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তরুণদের কোনো কথাই শোনা হচ্ছে না। আমাদের ভবিষ্যৎ কেড়ে নেয়া হচ্ছে।’
ফ্রান্সজুড়ে কেন বিক্ষোভ
এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের রাস্তায় নামেন ৭০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী।
প্যারিস অঞ্চলে ভোর হওয়ার আগেই কিশোর শিক্ষার্থীরা কয়েকটি স্কুলের ঢোকার পথ আটকে দেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মার্সেইয়ে শিক্ষার্থীরা ময়লার পাত্র ঠেলে নিজেদের স্কুলের সামনে নিয়ে জড়ো করেন।
আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে ফ্রান্সের বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুলে। কোথাও কোথাও শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হচ্ছে দাঙ্গা পুলিশ। তবে শিক্ষা বছরের মধ্যকালীন ছুটির আগে বিক্ষোভ কমে আসবে বলে আশা করছিল কর্তৃপক্ষ। এখনো সেই আশা পূরণ হয়নি।
