Published on
:
2 min read
শুক্রবার জঙ্গলমহল সফরে যাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঝাড়গ্রামের মানিকপাড়ার লোধা-শবর অধ্যুষিত কালাঝরিয়া গ্রামে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। লোধা-শবরদের মাঝে সময় কাটানোর কর্মসূচি রয়েছে।
জঙ্গলমহলের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ভালোবেসে এখানকার মানুষ তাঁকে ‘জঙ্গলমহলের কুটুম’ বলেই ডাকেন। মকর সংক্রান্তিতে লোধা-শবর জনজাতির বাড়িতে এসে মধ্যাহ্নভোজন করেছিলেন তিনি। শুনেছিলেন তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথা। কথাও দিয়েছিলেন ফের তিনি আসবেন। শুক্রবার ঝাড়গ্রামের মানিকপাড়ার লোধা-শবর অধ্যুষিত কালাঝরিয়া গ্রামে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, লোধা-শবর জনজাতির মানুষের জন্য ফুড প্যাকেট, নতুন বস্ত্র, সরকারি নানা সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা প্রদান এবং ভূমিহীনদের হাতে বনভূমির জমির পাট্টা তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, লোধা-শবর সহ এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপচারিত কথাও রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
কালাঝরিয়া গ্রামের মাঠে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান মঞ্চ এবং তার পাশেই হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড তৈরি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার হেলিকপ্টারের মহড়া হয় সেখানে। মুখ্যমন্ত্রী হেলিকপ্টারে এসেই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং তিনি হেলিকপ্টারে ফিরে যাবেন। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে অনুষ্ঠান মঞ্চ জুড়ে বলেও জানা গিয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ১৪ তারিখ মকর সংক্রান্তির দিনে কালাঝরিয়া গ্রামের বাসিন্দা বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য লাবনী ভক্তার বাড়ির দাওয়ায় বসেই মধ্যাহ্নভোজ করেছিলেন। ভাত, মুগডাল, আলুপোস্ত, মাছের ঝোল-সহ একাধিক পদে সাজানো সেই খাবারের আগে অবশ্য স্থানীয়দের বানানো পিঠের স্বাদও নিয়ে ছিলেন তিনি। মাটিতে বসে গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলাপচারিতার মাধ্যমে শুনেছিলেন তাঁদের সমস্যার কথা। সেদিন তিনি নিজেকে ‘জঙ্গলমহলের কুটুম’ আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, ‘টুসু, বাঁদনা, খুঁটান, করম– সব উৎসবেই আসি।’
ঝাড়গ্রামের বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ বলেন, ‘তিনি (মুখ্যমন্ত্রী) জঙ্গলমহলের কুটুম। যতবার ওঁর সঙ্গে কথা হয়েছে, লোধা-শবর মানুষজনের মান উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। লোধা-শবর হাতে একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। এবং তাঁদের সঙ্গে বসে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটানোর কথাও রয়েছে।’
