ওষুধটির দাম ৭৪ টাকা। কিন্তু সেই ওষুধই প্রায় ৬৭ গুণ বেশি দামে ৪ হাজার ৯৮১ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশের ২১৪টি হাসপাতালে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই কড়া পদক্ষেপ করছে যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। তবে এই ইস্যুতে সরব হয়েছে বিরোধীরা। পাশাপাশি, যেভাবে সারা দেশে চিকিৎসা খরচ বাড়ছে, তা নিয়ে কেন্দ্রের কাছে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছে তারা।
কংগ্রেসের নেতা জয়রাম রমেশ দাবি করেছেন, উত্তরপ্রদেশের ২১৪টি হাসপাতালে ৭৪ টাকার একটি ইঞ্জেকশন বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৯৮১ টাকায়। উত্তরপ্রদেশে স্বাস্থ্য পরিষেবা বাবদ প্রকৃত খরচের থেকে ৬৭ গুণ টাকা নেওয়া হচ্ছে। একটি হিসাব তুলে ধরে জয়রাম দেখিয়েছেন, কীভাবে ক্যানসার রোগীদের বছরে ১০ লক্ষ টাকার ওষুধের বিল মেটাতে হয়। তিনি লেখেন, ‘উৎপাদন খরচ এবং ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো মূল্য বা এমআরপি-র মধ্যে বিপুল ফারাক রয়েছে। সরকারের এহেন নীতির জেরেই রোগীদের বিপুল ওষুধের খরচ বহন করতে হচ্ছে।’ তবে রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতালের এই অসাধু চক্রগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করছে যোগী সরকার। হাসপাতালগুলিতে চলছে অভিযান এবং ধরপাকড়। পাশাপাশি, চলছে কড়া নজরদারিও।
সরকার কেন পেটেন্ট আইনের বিশেষ অধিকার প্রয়োগ করছে না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন জয়রাম। পেটেন্ট থাকার কারণে বেশ কিছু ওষুধ তৈরি করা যায় না। তবে জীবনদায়ী ওষুধের ক্ষেত্রে এই নিয়ম খাটে না। জয়রামের দাবি, রোগীদের সুরাহা দিতে এই বিশেষ অধিকার প্রয়োগ করুক সরকার।
