রায়পুর উপজেলা প্রতিনিধি: আবদুর রহমান বিয়ে, সন্তান জন্ম এবং নবজাতককে ঘিরে আনন্দঘন পারিবারিক অনুষ্ঠানে উপহার বা বকশিশের নামে অর্থ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে তৃতীয় লিঙ্গের কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে তাঁরা দলবদ্ধভাবে বাড়িতে গিয়ে ‘চাঁদা’ বা বকশিশ দাবি করেন। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগ রয়েছে, কোনো পরিবারে বিয়ে কিংবা সন্তান জন্মের খবর পেলে সেখানে গিয়ে উপহার বা বকশিশ চাওয়া হয়। পরিবারের সামর্থ্য অনুযায়ী কেউ অর্থ দিতে চাইলে তা গ্রহণ করা হলেও, কিছু ক্ষেত্রে চাহিদামতো অর্থ না পেলে চাপ প্রয়োগ বা অসন্তোষ প্রকাশের অভিযোগও পাওয়া যায়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্দিষ্ট ঘটনা, ভুক্তভোগীদের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, আনন্দঘন পারিবারিক অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছায় উপহার দেওয়া সামাজিক রীতির অংশ হতে পারে। কিন্তু উপহারের নামে কাউকে আর্থিক চাপে ফেলা বা অনিচ্ছা সত্ত্বেও অর্থ দিতে বাধ্য করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সামাজিক সচেতনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জরুরি। অন্যদিকে, তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর অনেক সদস্যও জীবিকা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক বৈষম্যের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। তাই কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যাচাই করে আইনসম্মতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন; পুরো সম্প্রদায়কে দায়ী করা উচিত নয়। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সচেতন মহল বলছে, উপহার বা বকশিশের নামে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের সম্মান, নিরাপত্তা ও জীবিকার অধিকার নিশ্চিত করাও জরুরি। প্রতিবেদকের মন্তব্য: ঘটনাস্থল, ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্য, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া যুক্ত করা গেলে প্রতিবেদনটি আরও তথ্যসমৃদ্ধ ও প্রকাশযোগ্য হবে.
The post বিয়ে ও সন্তান জন্মের অনুষ্ঠানে ‘চাঁদা’ দাবির অভিযোগ, বিব্রত সাধারণ মানুষ appeared first on Matrijagat.
