সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
-->দীর্ঘদিন অচল থাকার পর আবারও সচল হয়েছে অ্যাথলেটিকসের ইলেকট্রনিক ফটো-ফিনিশ ব্যবস্থা। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রকৌশলীদের সহায়তায় বিনা খরচে মেরামত করা হয়েছে যন্ত্রটি।
আগামী শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাওয়া কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় ট্র্যাকের ইভেন্টগুলোতে ব্যবহার করা হবে ইলেকট্রনিক টাইমিং। প্রতিযোগিতার ফলাফলও আধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে প্রকাশ করা হবে।
২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনের এই প্রতিযোগিতা। এতে ৫৭টি সংস্থার ৫৬৫ অ্যাথলেট অংশ নেবেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপন।
প্রতিযোগিতায় পুরুষদের ২২টি ও নারীদের ১৮টিসহ মোট ৪০টি ইভেন্ট থাকছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরুষ ৪৩১ জন, নারী ১৩৪ জন। সঙ্গে থাকবেন ১১০ জন ম্যানেজার ও কোচ। সাতটি থ্রোয়িং ইভেন্ট শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে এবং ম্যারাথন শনিবার ভোরে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কে অনুষ্ঠিত হবে।
ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জাবের জানিয়েছেন, অ্যাথলেটিকসের উন্নয়নে স্থায়ী ভেন্যু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে পল্টনের হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামের পাশে জমি বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ১৩ জেলায় প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে ফেডারেশন।
জাতীয় প্রতিযোগিতা শেষে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ শিবিরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আলী ইমাম তপন। আসন্ন এসএ গেমসে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১০টি পদক, যার মধ্যে দুটি স্বর্ণপদকের প্রত্যাশা করছে ফেডারেশন।
প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ইভেন্টের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী পাবেন যথাক্রমে ৬ হাজার, ৫ হাজার ও ৩ হাজার টাকা। রেকর্ড গড়লে থাকছে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার। সেরা অ্যাথলেট পাবেন একটি ১০০ সিসির বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল।
তোফায়েল/এএফ
