ভারতের দিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জেরে আটক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাংকা বিচার বিভাগীয় হেফাজতের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। তবে বিকল্প আইনি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও সরাসরি উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় বিচারকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন তারা। পরে আবেদন প্রত্যাহারের সুযোগ দেওয়া হয়। গতকাল বুধবার জরুরি শুনানিতে বিচারকেরা জানতে চান, সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে শুনানির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন তারা হাইকোর্টে এসেছেন। আদালত জানান, সংশ্লিষ্ট আদালত মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে। সেখানে শুনানির ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যেত। শুনানিতে দুই নেতার বয়স নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তাদের আইনজীবী জানান, সৌরভের বয়স ২৭ বছর এবং আশুতোষের ৩২ বছর। বিচারকেরা বলেন, তারা প্রজন্ম জেডের অন্তর্ভুক্ত নন। জন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তাদের আটক করা হয়েছিল। দিল্লি পুলিশের দাবি, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকার পরও তারা সেখানে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। ১৪ অক্টোবর তাদের পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। পরে হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানো হয়। আদালত আরও উল্লেখ করেন, জন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা চললেও ওই সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ ছিল না। ফলে সিদ্ধান্তটি কার্যকর ছিল।