খড়্গপুর IITEi Samay
Published on
:
1 min read
এই সময়: সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং এলসেভিয়ার প্রকাশ করেছে ২০২৬–এর 'বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানী'-র তালিকা। এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় ভারতের পাশাপাশি বাংলার গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর অভূতপূর্ব সাফল্য দেখা যাচ্ছে। দেশের ১,১৮৫টি প্রতিষ্ঠানের ৩,৮৯৮ জন গবেষক এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন, যার মধ্যে বাংলার মুখ সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল করেছে আইআইটি খড়্গপুর এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
দেশের সমস্ত শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আইআইটি খড়্গপুর তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে আইআইএসসি বেঙ্গালুরু এবং আইআইটি দিল্লি। আইআইটি খড়্গপুরের ৯৭ জন গবেষক বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের এই তালিকায় রয়েছেন।
অন্যদিকে, প্রায়শই বিভিন্ন নেতিবাচক কারণে খবরের শিরোনামে থাকা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ও গবেষণার ক্ষেত্রে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। দেশের সেরা ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সগৌরবে জায়গা করে নিয়েছে তারা। যাদবপুরের ৪৮ জন গবেষক এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এ বার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় (৩৮ জন), বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (৪৪ জন), আইআইটি গুয়াহাটি (৩৭ জন) এবং ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারের (৪০ জন) মতো দেশের প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানগুলোকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে।
তবে শুধু এই দুই প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানই নয়, রাজ্যের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপকরাও আন্তর্জাতিক স্তরে এই স্বীকৃতি পেয়েছেন। এঁদের মধ্যে বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য হলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষক-চিকিৎসক ইন্দ্রনীল সামন্ত।
এ ছাড়াও তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন প্রবীণ এন্ডোক্রিনোলজি বিশেষজ্ঞ এবং পিজি-র প্রাক্তন শিক্ষক-চিকিৎসক সতীনাথ মুখোপাধ্যায়। কলকাতাই শুধু নয়, জেলার বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও উঠে এসেছে সাফল্যের খবর। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজ়িয়োলজির শিক্ষক বিপ্লব গিরিও এই সম্মানজনক তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
গবেষকদের সারা জীবনের কাজের প্রভাব এবং স্কোপাস ডেটাবেসে তাঁদের গবেষণাপত্রের আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের উপরে ভিত্তি করেই এই তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বের দরবারে বাংলার গবেষক ও শিক্ষকদের এই বিরাট সাফল্য রাজ্যের শিক্ষামহলের জন্য সত্যিই এক দারুণ গর্বের বিষয় বলে মনে করা হচ্ছে।