গতকাল ৯৪ রানের পর আজ কোনো রান যোগ না করেই সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে অমিত হাসান আউট হয়েছেন। পরে রংপুরকে ২১১ রানের লক্ষ্য দেয় সিলেট। ছোট পুঁজি নিয়েও নাসুম আহমেদের স্পিন তোপে ১৭৩ রানেই গুটিয়ে যায় রংপুর। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪ উইকেট নেন নাইম আহমেদ।
৮ উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে সিলেট। অমিত শুরুতে আউট হওয়ার পর আর ২ রান যোগ করতেই অলআউট হয় সিলেট। রংপুরের হয়ে হাশিম এবং হাসিবুল হাসান ৪টি উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়া চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও স্বাধীন একটি করে উইকেট নেন।
২১১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ওয়ানডে মেজাজে ইনিংস শুরু করেন অনিক ও মিম মোসাদ্দেক। ১১ রান করা মিমকে ফেরান তোফায়েল আহমেদ। ইকবাল হোসেনকে ৪ রানে ফেরান নাসুম আহমেদ। এরপর আবদুল্লাহ আল মামুন একপ্রান্ত আগলে রাখলেও অন্যপ্রান্তে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চ্যাম্পিয়ন রংপুর।
এরপর ৪২ রানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রানেই অলআউট হয় রংপুর। ৩৭ রানে ম্যাচ জিতে নেয় সিলেট। সিলেটের হয়ে নাসুম নেন ৫ উইকেট। অন্যদিকে প্রথম ইনিংসের মতো এই ইনিংসেও ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন নাইম।
আরেক ম্যাচে ৯ উইকেটে ৩৪২ রান নিয়ে শেষ দিনের খেলা শুরু করে ঢাকা। এক উইকেট হাতে নিয়েই এদিন আরো ৩৫ রান তোলেন সুমন খান ও সালাউদ্দিন শাকিল। প্রথম ইনিংসে ঢাকা অলআউট হয় ৩৭৭ রানে। ময়মনসিংহ প্রথম ইনিংসে করেছিল ৩৮৭ রান।
১০ রানের লিড নিয়ে ব্যাট করতে নামে ময়মনসিংহ। ওপেনার আরিফুল ইসলামকে থামান লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। ১৬৩ বলে ৯২ রান করেন আরিফুল। আরেক ওপেনার ২৮ রান করে মাহফুজুর রাব্বির শিকার হন খালিদ হাসান। মাহফিজুল ইসলাম রবিন আউট হন ১০২ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলে।
ময়মনসিংহের রান যখন ৩ উইকেটে ১৬৭ তখন ম্যাচ ড্র মেনে নেন দুই দলের অধিনায়ক। ৩ ম্যাচ শেষে ঢাকার সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট, ময়মনসিংহের পয়েন্ট সমান ৩।
এসএইচ
