বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ১০ যাত্রীর কাছ থেকে ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নেওয়া, পাসপোর্ট আটকে রাখা এবং দীর্ঘদিনেও প্রতিশ্রুতি পূরণ না করার অভিযোগ উঠেছে শান ট্রাভেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিনহাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. জসিম উদ্দিন।
গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বরাবর দেওয়া অভিযোগপত্রে জসিম উদ্দিন উল্লেখ করেন, তিনি একটি ওভারসিজ প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী। অভিযোগে তিনি শান ট্রাভেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তোলেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, বিদেশে পাঠানোর উদ্দেশ্যে ১০ জন যাত্রীর পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ব্যবস্থা করার বিষয়ে অভিযুক্তের সঙ্গে আলোচনা হয়। এ সময় যাত্রীদের কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে মোট ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগকারী দাবি করেন। চুক্তি অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে টাকা ও পাসপোর্ট জমা নেওয়ার পর দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা ছিল। পরবর্তী সময়ে আরও অর্থ ও পাসপোর্ট হস্তান্তর করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও যাত্রীদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন জসিম উদ্দিন। তাঁর দাবি, একাধিকবার যোগাযোগ ও টাকা ফেরত চাওয়ার পরও সমস্যার সমাধান হয়নি। একপর্যায়ে অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, কয়েকজন যাত্রীর পাসপোর্ট ও অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি। এতে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের বিদেশযাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং তিনি নিজেও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
অভিযোগপত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য এবং পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।
