ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.)। একই সঙ্গে এই আসনের উপনির্বাচনে কেউ অপকর্ম করলে প্রতিহত করা হবে বলেও জানান তিনি।
আজ বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত নির্বাচনে দায়িত্বরতদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘উপনির্বাচনে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, কেউ যেন কোনো ধরনের অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করার সুযোগ না পায়। আর কেউ যদি কোনো ধরনের অপকর্ম করেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিহত করা যায় সেই ধরনের সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের বাকি যেসব ডিজিটাল ডিভাইস রয়েছে, যেমন বডি ওন ক্যামেরা পুলিশ, বিজিবি, এসআরবির সঙ্গে ড্রোন থাকবে: তাৎক্ষণিকভাবে রেসপন্স করার জন্য যা যা প্রয়োজন সব থাকবে।’
সেনাবাহিনী মোতায়েন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েন করার কথা চিন্তা করছি না, ধরে নেন সেনাবাহিনী মোতায়েন হবে না। এখানে আমাদের যে ফোর্সেস আছে - জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে তিনগুণ ফোর্স থাকবে। সুতরাং এখানে ওভার ইন্সুরেন্সের দরকার আছে বলে আমরা মনে করি না। এখানে কোনোভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার সুযোগ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার কোনো কারণ নাই, নির্বাচন ইনশাআল্লাহ সুষ্ঠু হবে। আমি নিশ্চিত এই নির্বাচনের পরে আপনারা ঠাকুরগাঁওবাসী হিসেবে সম্মানিতবোধ করবেন।’
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘এই পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর আছে, আমরা আশাবাদী আগামী ২৯ অক্টোবর সুন্দর পরিবেশে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সম্পন্ন হবে।’
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। এ সময় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হাওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য হয়। শূন্য এ আসনে আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
