সম্প্রতি কর্ণ জোহরের একটি শো-এ এসে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করলেন তারকা-দম্পতি রশ্মিকা মন্দানা আর বিজয় দেবরকোন্ডা। সেই শো-তেই বিজয় জানান, রশ্মিকার বাগদানের আংটি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কভারেজে দেখে নাকি মনখারাপ হয়েছিল তাঁর।
শো-তে আরও ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজয়। স্পষ্ট গলায় বললেন, "সাধারণ একটা আংটি দেখে সবাই রটিয়ে দিল যে, ওটাই নাকি আমার দেওয়া এনগেজমেন্ট রিং! আমি সহজে রাগ করি না, কিন্তু লোকজন যদি ভাবে ওই রকম একটা আংটি আমি ওর জন্য কিনব, তবে সেটা আমার রুচিকে অপমান করা হয়।’’ তার পরেই রশ্মিকার বাঁ হাতটি তুলে ধরে বিজয় বললেন, “এটা আমি বেছেছি, ওর জন্য।” আর ক্যামেরা জুম করতেই দেখা গেল— একটা নয়, পর পর তিনটে আংটি রয়েছে রশ্মিকার আঙুলে।
১. ভিক্টোরিয়ান হিরের ইতিহাস
সবচেয়ে উপরে যে আংটিটা জ্বলজ্বল করছে, সেটা বিরল। ‘ট্রাম্পেট অ্যান্ড হর্ন’ নামে এক জুয়েলারি স্টোরের মতে, এটি বিংশ শতকের গোড়ার দিকে তৈরি একটি ভিক্টোরিয়ান হিরের আংটি। সেই আংটির মাঝখানে রয়েছে একটি ওল্ড মাইন-কাট হীরে। এখন আর এমন কাট প্রায় দেখাই যায় না। এখনকার হিরের চকচকে ফিনিশিংয়ের বদলে এই আংটিতে রয়েছে ভিনটেজ লুক।
২. দক্ষিণ ভারতীয় ঐতিহ্যের স্কার্ভড গোল্ড ব্যান্ড
দ্বিতীয় আংটিটা দেখতে খুব সাধারণ, কিন্তু অর্থ গভীর। সামান্য বাঁকানো, ‘ভি’ আকৃতির এই সোনার ব্যান্ড দক্ষিণ ভারতীয় সংস্কৃতিতে নাগের ফণা থেকে অনুপ্রাণিত। বিশ্বাস করা হয়, এটি সৌভাগ্য এবং সুরক্ষা বয়ে আনে। বিজয় যে শুধু স্টাইল নয়, সংস্কৃতির কথাও ভেবেছেন, তার প্রমাণ এটাই।
৩. ‘টিফানি অ্যান্ড কোং’-এর ‘সিক্সটিন স্টোন’ আংটি
শেষ আংটিটি হল গয়না প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘টিফানি অ্যান্ড কোং’-এর ‘সিক্সটিন স্টোন’ কালেশন। ১৯৫৯ সালে প্রখ্যাত ডিজ়াইনার জ্যঁ শ্লামবার্গার এর নকশা করেছিলেন। সোনার ‘এক্স’ মোটিফ এবং নিরেট গোলাকার হিরের অপূর্ব মেলবন্ধনে তৈরি এই আংটিতে ছিল আধুনিকতার ছোঁয়া।
