আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে আন্দোলনের জের। ককরোচ জনতা পার্টির একাধিক শীর্ষনেতাকে ফের গ্রেপ্তার করল দিল্লি পুলিশ। এবার ঠাঁই হল তিহাড়ে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ককরোচ জনতা পার্টির দুই শীর্ষ নেতৃত্ব আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস এবং অজিঙ্ক শীন্ডেকে প্রথমে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এরপর অজিঙ্ক শীন্ডেকে পিস বন্ডে সই করিয়ে রেহাই দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর দিল্লি পুলিশ কমিশনার নির্দেশ দেন, এবার থেকে আর যন্তর মন্তরে কোনও আন্দোলন করা যাবে না। সেই নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে মঙ্গলবার রাতে ককরোচ জনতা পার্টির তিন শীর্ষ নেতা ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়েন। এরপর সেখানে জাতীয় পতাকা ওড়িয়ে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তিনজনেই। এরপরই গতকাল রাতে পুলিশ তাঁদের আটক করেন। বুধবার সকালে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির তিন নেতাই ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করেছিলেন। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যন্তর মন্তরে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। এর পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকার বন্ডে যে সই করেছিলেন, তাও লঙ্ঘন করেছেন তাঁরা। যদিও ককরোচ জনতা পার্টির তরফে এই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
