Published on
:
1 min read
এই সময়: এমনিতে ম্যানচেস্টার সিটি বনাম লিভারপুল প্রিমিয়ার লিগে সব সময়েই বড় ম্যাচ। কিন্তু রবিবারের এই ম্যাচ অন্য পর্যায়ে পৌঁছল সিটি টিমকে লিভারপুল সমর্থকদের ট্রোলিংয়ের জন্য।
তবে মাঠে লিভারপুলকেই কার্যত ট্রোল করল এন্জ়ো মারেস্কার সিটি। ৬৪ মিনিট পর্যন্ত খেলা ছিল গোলশূন্য। ৬২ মিনিটে রায়ান গ্র্যাভেনবার্চ লাল কার্ড দেখায় ১০ জন হয়ে গিয়েছিল লিভারপুল। এর পরেই ঝড় তুলল সিটি। ৬৫ থেকে ৮১— এই ১৬ মিনিটের মধ্যে তিন গোল করল সিটি। স্কোরবোর্ডে নাম তুললেন আর্লিং হাল্যান্ড, জেরেমি দোকু ও রায়ান চেরকি। ৬ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে ইপিএল শীর্ষে সিটিই।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর নিরপেক্ষ একটি কমিশন জানায় ম্যান সিটির বিরুদ্ধে যে ১১৫টি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল, তার মধ্যে ১১৪টিতেই তারা দোষী। লিগের বাকি ক্লাবগুলির কর্তা ও সমর্থকেরা এর পর নানা রকম মন্তব্য করেছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক উইন্ডো থাকায় সিটিকে মাঠে নামতে হয়নি। এই ঘটনার পরে প্রথমেই সিটিকে রবিবার যেতে হল অ্যানফিল্ডে। হাল্যান্ড–চেরকিদের জন্য অভূতপূর্ব স্বাগত জানানোর ব্যবস্থা করেছিল লিভারপুল সমর্থকেরা।
অ্যানফিল্ডের বাইরে ক্রমাগত স্লোগান চলছিল সিটির বিরুদ্ধে। গেটের বাইরে সিটির নীল জার্সি বিক্রি হচ্ছিল প্রচুর। যার পিছনে নম্বর লেখা ছিল ‘১১৫’। তার নীচে কোনও প্লেয়ারের নামের বদলে লেখা ‘চার্জেস’। অর্থাৎ যতগুলি অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। আর একটি টি–শার্ট বিক্রি হচ্ছিল, ‘চিটস’ লেখা।
বিক্রির তালিকায় ছিল সিটির নীল স্কার্ফও শুধু লেখাগুলো অন্য রকম। কোথাও লেখা, ‘শ্যামচেস্টার সিটি’, কোথাও লেখা ‘গিল্টি’। স্মোক বম্ব জ্বেলে নাচানাচি করতে থাকা সমর্থকের সামনে দিয়ে সিটির বাস গেলে ঝামেলা বাড়তে পারে, ধরে নিয়েছিল লিভারপুলের পুলিশ। তাই যে গেট দিয়ে অ্যানফিল্ডের কর্মীরা মাঠে ঢোকেন, সেই পথে সিটির বাস ঢোকে স্টেডিয়ামে।
