বনগাঁর একটি পুজোর উদ্বোধন করছেন মুখ্যমন্ত্রী। রয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়াওEi Samay
Published on
:
1 min read
এই সময়, বনগাঁ: ওপার বাংলা থেকে আসা হিন্দু শরণার্থী ও মতুয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষ স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের জেরে ভোটাধিকার হারিয়েছেন। ঠাকুরবাড়ি থেকে সিএএ–র জন্য আবেদন করলেও ২০২৬–এর নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি লক্ষ লক্ষ মানুষ। ট্রাইব্যুনালে আবেদন করলেও নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পাওয়ার সংখ্যা নেহাতই কম। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার বনগাঁ শহরে দু’টি দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে এসে ফের একবার সিএএ ইস্যুকে তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এ দিন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় বনগাঁর গান্ধীপল্লি বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো উদ্বোধন করে অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থী ও মতুয়া সম্প্রদায়ের অনেকেই সিএএ সার্টিফিকেট পাননি। ভোটার তালিকায় তাদের নাম নেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্য সরকারকে সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়ার অধিকার দিয়েছেন। এগুলো পেতে এখন আর কোনও সমস্যা হবে না।’
উদ্বাস্তুদের আশ্বস্থ করেন শুভেন্দু বলেন, ‘এখন থেকে তাঁরা জেলাশাসকের কার্যালয়ের থেকেই সিএএ শংসাপত্র পাবেন। বনগাঁয় দাঁড়িয়ে আমি কথা দিয়ে গেলাম, উদ্বাস্তু ও মতুয়াদের কাউকে বাদ দেওয়া হবে না। সবাইকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।’
এ দিন বনগাঁয় এসে দু’টি পুজো উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। একটি বনগাঁর মতিগঞ্জ ঐক্য সম্মেলনী। এই পুজো কমিটির চেয়ারম্যান হলেন হাবরার বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল। অন্যটি খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্গাপুজো। বনগাঁর রাজনীতিতে দেবদাস ও অশোকের সম্পর্ক সাপে নেউলে।
খাদ্যমন্ত্রী প্রথম আমন্ত্রণ জানান মুখ্যমন্ত্রীকে। সেটা জানার পর দেবদাসও তাঁর পুজো উদ্বোধনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন শুভেন্দুকে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী দুই নেতার পুজোই উদ্বোধন করেন।