নবীগঞ্জে সন্ত্রাস দমন আইনে দায়েরকৃত মামলায় উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপু আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল দুপুরে উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উমরপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১৮ই সেপ্টেম্বর পুলিশের দায়েরকৃত মামলায় এসআই নুর আলম ও সাইফুলের নেতৃত্বে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে থানার হাজতখানায় দেখতে আসা তার সহযোগী শাহ জুয়েল মোবাইল ফোনে কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও ধারণ করে। ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপলোড দেয়ার প্রাক্কালে পুলিশ তাকে তাৎক্ষণিক আটক করে। এ সময় তার নিকট থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শাহ তপু আহমেদ উরমপুর গ্রামের ফিরোজ মিয়ার পুত্র। ওদিকে, থানার হাজতখানায় আটক ছাত্রলীগ নেতার ভিডিও ধারণের ঘটনায় ডিউটি অফিসার এসআই মেহেদী হাসান ও কনস্টেবল আফসানা মিমিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গত মাসের ১৮ই সেপ্টম্বর নবীগঞ্জ পৌর শহরের কলেজ রোডস্থ এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী-যুবলীগের একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক মিনিটের ওই মিছিলে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা শতাধিক লোকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়। পুলিশের দায়েরকৃত ওই মামলায় গতকাল দুপুরে অভিযান চালিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নবীগঞ্জ থানার হাজতখানায় তাকে দেখতে আসা একই গ্রামের শুকর উদ্দিনের পুত্র শাহ জুয়েল আহমদকেও ভিডিও ধারণ ও ফেসবুকে আপলোড দেয়ার অভিযোগে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ওসি মো. আবুল হোসেন বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ও শান্তিশঙ্খলা রক্ষায় চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। হাজতখানার ভিডিও ধারণ প্রসঙ্গে বলেন, ঘটনার সময়ে তিনি বাসায় ছিলেন। এ ঘটনায় ডিউটি অফিসার এসআই মেহেদী ও কনস্টেবল আফসানা মিমিকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
