ছবির ক্যাপশন: ...
বিগত সেপ্টেম্বর/২০০৭ তারিখে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তমতে আমার প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং সে অনুযায়ী নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ আমাকে ২০০৮ সালে প্রথমে লিখিত পরীক্ষায় এবং পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় পর্যাপ্ত নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়ায় ২০১১ সালে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য ইন্টারভিউ কার্ড ইস্যু করে। উভয় পরীক্ষায় মেধাক্রমানুসারে ১ম স্থান অর্জন করায় আমাকে ২০/১১/২০১১ ইং তারিখে নিয়োগ কমিটি কর্তৃক উক্ত পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয় কিন্তু একটি ষড়যন্ত্রমহল আমাকে নিয়োগে বাধাগ্রস্থ করায় আমি ১৭.১০.২০১১ তারিখে মহামান্য হাইকোর্টে ৮৫৬৬/২০১১ নং রীট পিটিশন মামলা দায়ের করি। উক্ত মামলার চূড়ান্তরায়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রায় ৫ (পাঁচ) বছর পর ০৪/০৭/২০১২ তারিখে নগর পরিকল্পনাবিদ পদে যোগদান করি। যোগদানের পরও ষড়যন্তমূলকভাবে প্রায় ১৪ (চৌদ্দ) বছর পদোন্নতি বঞ্চিত ছিলাম, সম্প্রতি গত ০৩/০৯/২০২৬ ইং তারিখে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ পদে চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত হই। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত মোতাবেক আমার প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকার পরও ষড়যন্তকারীমহল নানাভাবে আমাকে হেনস্থা করার জন্য সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় অভিজ্ঞতার সনদ নিয়ে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে। যে বিষয়ে সম্প্রতি দুদকের নির্দেশে অত্র কর্পোরেশনের মাধ্যমে তদন্ত পরিচালিত হয়। উক্ত তদন্তে বিভিন্ন মাধ্যম হতে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায়/বিশ্লেষণে আনীত অভিযোগের কোন সত্যতা পাওয়া যায় নি। তাই "ভূয়া অভিজ্ঞতার সনদে নগর পরিকল্পনাবিদ"-মর্মে প্রচারিত সংবাদটি গভীর ষড়যন্ত্রমূলক মানহানীকর ও হয়রানীমূলক। আমি এই ধরনের সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মোঃ নজরুল ইসলাম
প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ (চঃ দাঃ)
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
