আঞ্চলিক দুই সংগঠনের সড়ক অবরোধ ভেঙে রাঙামাটির সাজেক ভ্যালি থেকে পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে এনেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। তবে পর্যটকদের সাজেক ইউনিয়নের উজোবাজার এলাকা থেকে সরিয়ে আনার পর সেখানে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার পর গোলাগুলির খবর পাওয়া যায়। এ ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। তবে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
জানতে চাইলে রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব জানিয়েছেন যে, পর্যটকদের গাড়িগুলো স্কট দিয়ে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়। স্কটে সেনাবাহিনীর সঙ্গে পুলিশ সদস্যরাও ছিলেন। পরে সশস্ত্র গোষ্ঠীরা পর্যটকদের গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। তখন আইনশৃঙ্খলাবাহিনীও বাধ্য হয়ে গুলি ছোঁড়ে। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
সকালে পর্যটকরা ফেরার পথে উজোবাজারে অবরোধকারী পর্যটকদের গাড়ি বহর আটকে দেয় বলে জানান সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন। তিনি বলেন, বেলা ১১টার দিকে পর্যটকদের সরিয়ে নেয়ার সময় অবরোধকারীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে সড়ক থেকে অবরোধকারীদের সরিয়ে দিয়ে পর্যটকদের নিরাপদে উজোবাজারে এলাকা পার করে দেয়া হয়েছে। অবরোধকারীদের ইট-পাটকেলের আঘাতে কিছু পর্যটক আহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। তবে সংখ্যাটা বলা যাচ্ছে না।
তিনি আরো বলেন, সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর ওপর গুলি চালায়। দুইপক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ঘটনা ঘটছে। এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
প্রসঙ্গত, তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আজ থেকে ফের রাঙামাটির সাজেক পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ডাকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি সাজেক কারবারি এসোসিয়েশন। অবরোধের দিন সকালেই উজোবাজারে আটকা পড়েন সাজেক ফেরত পর্যটকরা। তবে শেষ পর্যন্ত অবরোধ ভেঙে তাদের খাগড়াছড়ি জেলায় পৌঁছানো হয়। উজোবাজার এলাকা পার হওয়ার পর শুরু হয় গোলাগুলি।
