বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যাচর্চা ভবন এই সময়
Published on
:
1 min read
এই সময়, বর্ধমান: টানা ছ’বছর ধরে অনন্য আন্তর্জাতিক সম্মান ধরে রাখলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তথা প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রখ্যাত অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র। আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’-এর যৌথ সমীক্ষায় সদ্য প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ দুই শতাংশ বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় জায়গা করে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় তথা পুরো রাজ্যকে গর্বিত করেছেন গৌতম। রাজ্য জুড়ে মশা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত গৌতমের একাধিক গবেষণা ও উদ্ভাবন মশা নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব জুড়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ বছরের তালিকায় ‘ক্লিনিক্যাল মেডিসিন’ শাখায় এবং ‘ট্রপিক্যাল মেডিসিন’ উপ-শাখায় গৌতমের চলতি বছরের গ্লোবাল র্যাঙ্ক ২,৮০,৬৫৮। উপ-শাখায় তাঁর র্যাঙ্ক ৩৯৯। সমগ্র কর্মজীবনের অবদানের নিরিখে ট্রপিক্যাল মেডিসিন উপ-শাখায় তাঁর গ্লোবাল র্যাঙ্ক ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৮৯। উপ–শাখায় র্যাঙ্ক ৫৮৫। দীর্ঘ ৩৫ বছরের কর্মজীবনে তাঁর অধীনে ৩৬ জন গবেষক পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। সম্প্রতি ফাইলেরিয়া বাহক মশা নিধনে ‘অ্যালকালিজেনেস ফেকালিস’ (বিউএমসিএন০১) নামের একটি নয়া ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেছেন গৌতম এবং তাঁর দুই গবেষক-ছাত্রছাত্রী ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য ও নন্দিতা চৌধুরী। কিউলেক্স মশার লার্ভা ধ্বংসে সক্ষম এই নতুন ব্যাকটেরিয়া সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ম্যাগাজ়িনে স্থান পেয়েছে।
