স্টাফ রিপোর্টার ॥
সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চরফ্যাশন উপজেলা আহ্বায়ক কমিটিতে সাংগঠনিক পদে থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সফিউল্ল্যাহ জগলু।
১১ অক্টোবর তাঁকে এ নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাজন আলীর স্বাক্ষরিত নোটিশে সফিউল্ল্যাহ জগলুর কাছে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাজন আলী বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। আমরা ১১ অক্টোবর সফিউল্ল্যাহ জগলুকে লিখিত শোকজ করেছি। তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।
এর আগে গত ৫ অক্টোবর এনসিপির ভোলা জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান ও সদস্যসচিব শরীফ হাওলাদার সাগরের স্বাক্ষরে দলটির চরফ্যাশন উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির আংশিক অনুমোদন দেওয়া হয়। আগামী ছয় মাসের জন্য অনুমোদিত সাত সদস্যের ওই কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে সফিউল্ল্যাহ জগলুর নাম রয়েছে।
সরকারি চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় কোনো রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক পদে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি সামনে আসার পর সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ২৫(১) বিধিতে সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের বিষয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে সফিউল্ল্যাহ জগলুর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে। এর আগে তাঁর লিখিত ব্যাখ্যা ও কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।