১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ দলনেতার অংশগ্রহণ, চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১০ লাখ টাকা
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ১০:৫২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অধিনায়ক সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিরা।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্কৃতি বিকাশ ও তরুণ প্রতিভা তুলে ধরার লক্ষ্যে আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’। আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এবিজি স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে অধিনায়ক সম্মেলন।
সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট ও ফুটবল দলের ২০ জন অধিনায়ক, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রতিযোগিতার নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা, গ্রুপ নির্ধারণে লটারি, জার্সি ও ট্রফি উন্মোচন এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে জার্সি বিতরণ করা হয়।
টুর্নামেন্টের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ফ্লাডলাইটের আলোয় ক্রিকেট ও ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। দুই বিভাগেই ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, আইইউবি, এআইইউবি, ইউল্যাব, ইউআইইউ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স ও ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ফুটবল বিভাগেও একই ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেবে।
ক্রিকেট ও ফুটবলের পৃথক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১০ লাখ টাকা করে এবং রানার্সআপ দল পাবে পাঁচ লাখ টাকা করে পুরস্কার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক মো. ইমরুল হাসান। আরও উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী, এবিজি স্পোর্টস সিটির উপদেষ্টা মো. লিয়াকত হোসেন ও মো. নাজমুল আলম ভূঁইয়া এবং টি স্পোর্টসের কর্মকর্তারা।
ইমরুল হাসান বলেন, ফুটবল ও ক্রিকেট দিয়ে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের যাত্রা শুরু হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও খেলা যুক্ত করে আয়োজনটি বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জাতীয় ক্রীড়াঙ্গনে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব, দলগত সংহতি ও ক্রীড়াচর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

