বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভাজন ক্রমেই বিদেশের বিমানবন্দর, সভা-সমাবেশ এবং কূটনৈতিক পরিসরে ছড়িয়ে পড়ছে। নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনা এর সর্বশেষ উদ্বেগজনক উদাহরণ। তার রাজনৈতিক ভূমিকা সম্পর্কে কার কী মত, সেটি আলাদা বিষয়। কিন্তু হুইলচেয়ারে থাকা একজন প্রবীণ ব্যক্তিকে ঘিরে আক্রমণাত্মক ভাষায় অপমান করা অত্যন্ত নিন্দনীয়। বাংলাদেশের কোনো নাগরিকেরই বিদেশে ভ্রমণ, সভায় অংশগ্রহণ কিংবা নিজের মত প্রকাশের সময় স্বদেশিদের ভয়ভীতি ও হেনস্তার শিকার হওয়ার কথা নয়।
বিজ্ঞাপন
১৩ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, আগের দিন সোমবার অধ্যাপক ইউনূস হুইলচেয়ারে করে জেএফকে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে নানা অভিযোগ তুলে চিৎকার করেন। তাঁকে আবার টার্মিনালের দিকে ফিরিয়ে নেওয়ার সময়ও পরিস্থিতির অবসান হয়নি। সংবাদে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার কথা উঠে এসেছে। পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অভিযুক্তদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যোগসূত্র রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনকে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যক্তিবিশেষের অপরাধমূলক দায় তদন্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।
রাজনৈতিক সমালোচনা গণতান্ত্রিক অধিকার। জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের প্রশ্ন, সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মুখোমুখি হতে হবে। কিন্তু সমালোচনার স্বাধীনতা কাউকে হুমকি দেওয়া, চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা, বস্তু নিক্ষেপ করা, সম্পত্তির ক্ষতি করা কিংবা শারীরিক হামলা চালানোর অনুমতি দেয় না। এই সীমারেখা স্পষ্ট রাখতে হবে। আপত্তিকর স্লোগান এবং শারীরিক হামলা একই ধরনের ঘটনা নয়। তাই রাজনৈতিক অভিধা ব্যবহারের পরিবর্তে ঠিক কী ঘটেছে, কর্তৃপক্ষকে তা নির্ধারণ করতে হবে।
উদ্বেগের কারণ শুধু সর্বশেষ ঘটনাটি নয়। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ লন্ডনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বিক্ষোভের মুখোমুখি হন। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজের কাছে বাংলাদেশ হাইকমিশনের গাড়িতে ডিম নিক্ষেপ করা হয়েছিল। মিশনের প্রেস মিনিস্টারের ভাষ্য অনুযায়ী, হাইকমিশনের দুটি খালি গাড়ি বের হওয়ার সময় কিছু বিক্ষোভকারী সড়কে বাধা সৃষ্টি করেন এবং পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয়। একই প্রতিবেদনে ২৪ আগস্ট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের বাইরে মাহফুজ আলমকে ঘিরে আরেকটি ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সময়মতো সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। এরও আগে প্যারিসের বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে অপমান ও হেনস্তা করা হয়।
সম্প্রতি ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর কথিত হামলাও একই ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সংসদে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগের সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্য ও একটি শিশুর সঙ্গে থাকা অবস্থায় ঘটনাটি ঘটে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অভিযুক্তদের আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ইতালিতে বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে সহায়তা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের কথা জানান। সংসদের আলোচনায় সংসদ সদস্য আখতার হোসেনও যুক্তরাষ্ট্র সফরে একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার কথা বলেন। এসব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা প্রয়োজন।
এসব ঘটনা প্রবাসী সমাজের একাংশের রাজনৈতিক আচরণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। কোনো দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে কি বিদেশে আরেকজন বাংলাদেশিকে অপমান করতে হবে? কূটনৈতিক গাড়িতে ডিম ছুড়ে কী গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করা যায়? বিমানবন্দরে একজন যাত্রীকে ঘিরে ধরলে কি দলের নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে আসে? এ ধরনের আচরণ সাময়িক আলোচনার জন্ম দিতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক পরিপক্বতার পরিচয় দেয় না।
ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড কঠোর সমালোচনার যথেষ্ট ভিত্তি তৈরি করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় দলটির অবদান পরবর্তী সময়ে গঠিত সরকারগুলোকে জবাবদিহির ঊর্ধ্বে রাখে না। শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৫ সালের সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে বাকশালের একদলীয় কাঠামো প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়। জাতীয় দলে যোগদানের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয় এবং চারটি রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র ছাড়া অন্য সংবাদপত্রের ঘোষণাপত্র বাতিল করা হয়। এসব পদক্ষেপ রাজনৈতিক বহুত্ববাদ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিপন্থী ছিল।
শেখ হাসিনার শাসনামলের পরবর্তী ঘটনাগুলো আরও জরুরি জবাবদিহি দাবি করে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর তদন্তে বলা হয়, সাবেক সরকার, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহিংস গোষ্ঠীর সদস্যরা ২০২৪ সালের আন্দোলনে পদ্ধতিগতভাবে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত ভিত্তি রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ। সম্ভাব্য মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়েও অধিকতর তদন্ত ও যথাযথ বিচারের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। বিচারের দাবির পক্ষে এটি একটি নথিভিত্তিক ভিত্তি।
এ ধরনের অনুসন্ধানের পর দায়িত্বশীল প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তদন্তে সহযোগিতা, ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগের স্বীকৃতি এবং আইনসম্মত রাজনৈতিক আচরণের অঙ্গীকার। বিদেশে হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে বরং এই ধারণা শক্তিশালী হয় যে কিছু কর্মী এখনো ভিন্নমত ও জবাবদিহি মেনে নিতে প্রস্তুত নন। একই সঙ্গে অপরাধের দায় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া থেকে মনোযোগ সরে যায়।
জাতীয় প্রতিষ্ঠানে হামলার বিরুদ্ধে অবস্থান দলীয় পরিচয় নির্বিশেষে অভিন্ন হতে হবে। দূতাবাস বা হাইকমিশন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিকদের সেবার জন্য কাজ করে। বিক্ষোভকারীরা ক্ষমতাসীন সরকারের বিরোধিতা করেন বলে মিশনের কর্মচারীরা আক্রমণের লক্ষ্য হতে পারেন না। কূটনৈতিক সম্পর্কবিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশনের ২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কূটনৈতিক মিশনের প্রাঙ্গণকে অনধিকার প্রবেশ ও ক্ষতি থেকে রক্ষা করা এবং মিশনের শান্তি বা মর্যাদা বিঘ্নিত হওয়া প্রতিরোধে গ্রহণকারী রাষ্ট্রের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। প্রতিষ্ঠিত কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশকে এসব সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানাতে হবে।
দেশের ভাবমূর্তির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। বিদেশে অধিকাংশ বাংলাদেশি কঠোর পরিশ্রম করেন, পরিবারকে সহায়তা দেন, স্থানীয় সমাজে অবদান রাখেন এবং অন্য দেশের মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। মোবাইল ফোনে ধারণ করা কোনো সংঘাতের দৃশ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তাঁদের এসব অবদানকে আড়াল করতে পারে। ভাবমূর্তির ক্ষতি ঠিক কতটা হয়েছে, তা সহজে পরিমাপ করা যায় না। তবে বারবার রাজনৈতিক হেনস্তার দৃশ্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের অনুষ্ঠান ও অতিথিদের বিষয়ে উদ্বিগ্ন করে তুলতে পারে।
সাধারণ সমর্থকদেরও ভেবে দেখা প্রয়োজন, তাঁরা কার স্বার্থে কাজ করছেন। অনেক প্রবাসীর দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, আর্থিক চাপ এবং দেশে থাকা পরিবারের দায়িত্ব রয়েছে। অতিউৎসাহী হয়ে বিদেশের মাটিতে এসব অর্থহীন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে বিপদে পড়লে নিজের পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দায়িত্বহীন নেতাদের কথায় প্রভাবিত হয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত।
যেসব নেতা আক্রমণাত্মক আচরণে উৎসাহ দেন, তাঁরা পরিণতির অংশীদার হবেন কি না, কর্মীদের সেই প্রশ্ন করা উচিত। কোনো ঘটনার পর গ্রেপ্তার হলে আইনজীবীর ব্যবস্থা কে করবেন? কাজের সময় নষ্ট হলে ক্ষতিপূরণ কে দেবেন? দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় জীবিকা ব্যাহত হলে পরিবারকে কে সহায়তা দেবেন? সাধারণ সমর্থকদের ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিয়ে নির্দেশদাতারা নিরাপদ দূরত্বে আরাম-আয়েশে থাকলে রাজনৈতিক আনুগত্য শোষণের হাতিয়ারে পরিণত হয়।
মূল কথা হলো, কোনো রাজনৈতিক সংগঠকের কাছে নিজের বিবেচনাবোধ সমর্পণ করা উচিত নয়। কাউকে হুমকি দেওয়া বা আক্রমণ করতে অস্বীকৃতি জানানো দায়িত্বশীলতার পরিচয়। লেখা, আলোচনা ও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের মাধ্যমে রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরা যায়; তার জন্য হেনস্তার হাতিয়ার হওয়ার প্রয়োজন নেই।
সরকারকে প্রমাণ ও ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে হবে। মিশনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অভিযোগ জানাতে সহায়তা করবে, মূল ভিডিও সংরক্ষণ করবে, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য সংগ্রহ করবে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ক্যামেরার রেকর্ড চাইবে। অপরাধের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের কাছে তুলে ধরতে হবে। তদন্তের আগেই কাউকে দোষী ঘোষণা না করে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জনগণকে জানানো উচিত।
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও সমান জরুরি। বিশ্বাসযোগ্য হুমকি থাকলে সফরের আগে মিশনকে অনুষ্ঠানস্থল, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। প্রবেশ, প্রস্থান এবং আইনসম্মত বিক্ষোভের সুস্পষ্ট ব্যবস্থা বিপজ্জনক সংঘাতের সুযোগ কমাতে পারে। প্রবাসী সংগঠনগুলোরও হুমকি, সম্পত্তির ক্ষতি ও শারীরিক বাধা প্রত্যাখ্যান করে আচরণবিধি গ্রহণ করা প্রয়োজন।
আইনি পদক্ষেপের ভিত্তি হবে ব্যক্তির আচরণ ও প্রমাণ। বাংলাদেশে কোনো দলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অন্য দেশে তার রাজনৈতিক কার্যক্রমের বৈধতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ করে না। সংশ্লিষ্ট দেশ নিজস্ব আইন প্রয়োগ করবে এবং শান্তিপূর্ণ বিরোধিতার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। সামষ্টিক শাস্তি কিংবা কনস্যুলার সেবাকে রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার করলে হেনস্তার বিরুদ্ধে নীতিগত অবস্থানই দুর্বল হবে।
বাংলাদেশের প্রয়োজন অতীতের অন্যায়ের জবাবদিহি এবং বর্তমান রাজনৈতিক আচরণে সংযম। বিমানবন্দরে হেনস্তা কিংবা জাতীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা—কোনোটির মাধ্যমেই এসব লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়। বিদেশে বেআইনি কাজে জড়িত ব্যক্তিদের আইনসম্মত পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। আর বিচারপ্রত্যাশীদের বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত ও ন্যায়সংগত বিচারপ্রক্রিয়াকে সমর্থন করতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য কখনো স্বদেশিদের বিপন্ন করা কিংবা বিদেশে দেশের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অজুহাত হতে পারে না। প্রতিটি সমর্থকের নিজের আচরণ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা আছে। দলের নামে উৎসাহিত কর্মকাণ্ডের জন্য প্রতিটি নেতারও দায়িত্ব রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রত্যাশা করে, যার ভিত্তি হবে প্রমাণ, মর্যাদা এবং মানুষের নিরাপত্তার প্রতি সম্মান।
hrmrokan@hotmail.com
