মো. শাহীন আলম, জামালগঞ্জ::
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের লক্ষ্যে উপজেলার ৫৫টি পূজামণ্ডপে নগদ অর্থ ও বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলের ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রতিটি পূজামণ্ডপে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১১টি পূজামণ্ডপে নতুন সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং পাঁচটি পূজামণ্ডপের সিসি ক্যামেরা মেরামতের জন্য প্রতিটিতে ৩ হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি পূজামণ্ডপের রাস্তা মেরামতের জন্য প্রতিটিতে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলার ৫৫টি পূজামণ্ডপে ফেস্টুন সরবরাহ করা হয়েছে।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সহায়তার তথ্য জানানো হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রাণী মোদক। সভা সঞ্চালনা করেন পূজা উদ্যাপন পরিষদের জামালগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক অজিত কুমার রায়।সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফুর রহমান শান্ত, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা শিবেন্দ্র চন্দ্র পাল, উপজেলা বিএনপির দ্বিতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম মাহমুদ তালুকদার, সমাজকর্মী আব্দুর রব, জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান, আলাউদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তৌফিকুল ইসলাম তালুকদার, জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদ মাহমুদ সাজিব,পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সমরেন্দ্র আচার্য শম্ভু, পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক নিরাঞ্জন দেবনাথ, সদস্যসচিব পীযূষ কান্তি তালুকদার, জামালগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার শ্রীকান্ত তালুকদার এবং জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শাহীন আলম।
এ ছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আয়োজকদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
নিউজটি শেয়ার করুনঃ
