বাংলাদেশের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন বিলীন!
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ব্যাটিং ব্যর্থতার আরেকটি নির্লজ্জ প্রদশর্ণী দেখিয়ে তিন জাতি ক্রিকেটে বাংলাদেশের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন ধুলিসাৎ হওয়ার পথে। ফাইনাল খেলতে হলে আগে ব্যাট করলে ৪১ রানে জিততে হবে। টস জেতায় বাংলাদেশ দল আর রান তাড়ায় গিয়ে ওভারের জটিল হিসেবে না পড়ে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় ইনিংস গড়ার স্বপ্ন দেখেছিল। সেখানে হিতে বিপরীত হয়েছে। ৪১.২ ওভারে মাত্র ১৬০ রানে অলআউট টাইগাররা।
আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে অলআউট করে ৪১ রানে ম্যাচ জিতে ফাইনালে খেলা স্বপ্নই হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের ইনিংসের ১৬০ রানের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ রানই এসেছে পারভেঝ ইমন ও সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে। ইমন ৭০ ও সাইফ ৪১ রান করেন। বাকি সবাই মিলে করেন মাত্র ৪৯ রান। ২৪৮ বলের মাঝে এই দুই জন খেলেন ১৭৮ বল। এতেই বুঝা যায় বাংলাদেশের ব্যাটাররা কী পরিমাণ ধুকেছেন।
৪১ রান ম্যাচ জেতার লক্ষ্যে একাদশে তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। টস জেতায় আগে বড় ইনিংস গড়ার প্রত্যয়ে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু চিরাচরিত ব্যাটিং ব্যর্থতা থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি টাইগাররা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয় শুরু হয়। ফর্মে থাকা ওপেনার তানজিদ তামিম (১) রানের খাতা খুলে আউট হলেও সৌম্যসরকার গোল্ডেন ডাক মারেন। ২টি উইকেটই নেন ইয়ামিন আহমাদজাই।
আরও পড়ুন
বিপর্যয় আরও ঘনিভুত হয় আজমতউল্লাহ ওমরজাইয় এক ওভারে জোড়া আঘাত হানলে। তিনি ফিরিয়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত (১৫) ও অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়কে (০)। ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ৪১ রানে ম্যাচ জেতার স্বপ্ন তখন দূর আকাশে পরিণত হয়েছে। ৪১ রানে অলআউট হয় কি না এ রকম শঙ্কা প্রকাশ করে কেউ কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন। তবে সেটি আর হয়নি। ওপেনার সাইফ হাসানের সঙ্গে এসে একাদশে সুযোগ পাওয়া পারভেজ ইমনের পঞ্চম উইকেট জুটিতে ২৪.৩ ওভারে ৯৩ রান। সাইফ ৪১ রান করে আউট হলেও পারভেজ ৭৫ বলে ক্যারিয়ারের ১৫তম হাফ সেঞ্চুরি করে আউট হন ৭০ রানে। অষ্টম ব্যাটার হিসেবে দলীয় ১৫৬ রানে তিনি আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ ১৬০ রানে অলআউট হয়।
রশিদ খান ৪১ রানে নেন ৪ উইকেট। আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও ইয়ামিন আহমাদজাই ২টি করে উইকেট নেন।
আরও পড়ুন
পলাশ/এএফ
আরও পড়ুন
ইলেকট্রনিক টাইমিংয়ে ফিরছে অ্যাথলেটিকস, এসএ গেমসে লক্ষ্য ১০ পদক
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
-->দীর্ঘদিন অচল থাকার পর আবারও সচল হয়েছে অ্যাথলেটিকসের ইলেকট্রনিক ফটো-ফিনিশ ব্যবস্থা। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রকৌশলীদের সহায়তায় বিনা খরচে মেরামত করা হয়েছে যন্ত্রটি।
আগামী শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাওয়া কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় ট্র্যাকের ইভেন্টগুলোতে ব্যবহার করা হবে ইলেকট্রনিক টাইমিং। প্রতিযোগিতার ফলাফলও আধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে প্রকাশ করা হবে।
২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনের এই প্রতিযোগিতা। এতে ৫৭টি সংস্থার ৫৬৫ অ্যাথলেট অংশ নেবেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপন।
আরও পড়ুন
প্রতিযোগিতায় পুরুষদের ২২টি ও নারীদের ১৮টিসহ মোট ৪০টি ইভেন্ট থাকছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরুষ ৪৩১ জন, নারী ১৩৪ জন। সঙ্গে থাকবেন ১১০ জন ম্যানেজার ও কোচ। সাতটি থ্রোয়িং ইভেন্ট শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে এবং ম্যারাথন শনিবার ভোরে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কে অনুষ্ঠিত হবে।
ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জাবের জানিয়েছেন, অ্যাথলেটিকসের উন্নয়নে স্থায়ী ভেন্যু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে পল্টনের হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামের পাশে জমি বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ১৩ জেলায় প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে ফেডারেশন।
আরও পড়ুন
জাতীয় প্রতিযোগিতা শেষে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ শিবিরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আলী ইমাম তপন। আসন্ন এসএ গেমসে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১০টি পদক, যার মধ্যে দুটি স্বর্ণপদকের প্রত্যাশা করছে ফেডারেশন।
প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ইভেন্টের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী পাবেন যথাক্রমে ৬ হাজার, ৫ হাজার ও ৩ হাজার টাকা। রেকর্ড গড়লে থাকছে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার। সেরা অ্যাথলেট পাবেন একটি ১০০ সিসির বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল।
তোফায়েল/এএফ
আরও পড়ুন
আফগানিস্তানের কাছে বাংলাদেশের যুবাদের প্রথম হার
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তান যুবাদের বিপক্ষে বাংলাদেশ যুবারা সুপার ওভারে ম্যাচ জিতে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল। তৃতীয় ম্যাচ জিতলেই সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যেত। কিন্তু সে কাজটি আর করতে দেননি আফগান যুবারা। ৪৩ রানে ম্যাচ জিতে তারা সিরিজে ফিরে এসেছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ওমানের আল আমিরাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আফগানিস্তান ২৩৭ রানে অলআউট হয়। রান তাড়ায় নেমে বাংলাদেশ সব উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান করে।
টস জিতে ব্যাট করতে নামা আফগানদের ইনিংসের শুরুতেই ৫০ রানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে চাপে ফেলেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। কিন্তু চতুর্থ উইকেট জুটিতে ওপেনার সোবহান জাখিল ও শাহ ফয়সাল রাহিমী ২৪ ওভারে ১০৫ রান যোগ করে বিপদ কাটিয়ে দলের ভিত্তি মজবুত করেন। সোবহান জাখিল ৮১ ও শাহ ফয়সাল রাহিমী ৮০ রান করে আউট হন। এই দুজন ছাড়া দলের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান করেন অধিনায়ক সোহেল খান (২৪)। বাংলাদেশের হয়ে আল আমিন হোসেন ৬০ রানে ৬ উইকেট নেন।
আরও পড়ুন
সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ জয়ের পথেই ছিল। আবদুল্লাহ আল মুহিরের ৬১ ও কাউসার আহমেদের ৬৪ রানে একপর্যায়ে দলের রান ছিল ১ উইকেটে ১১৩। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা ১৮.৪ ওভারে ১০৭ রান যোগ করেন। আবদুল্লাহ আউট হওয়ার পর কাউসার ও আল-আমিন হোসেন রনি দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৪৩ রান যোগ করার পর কাউসার আউট হন। এরপরই বাংলাদেশের ইনিংসে মড়ক লাগে। শেষ ৭ উইকেট মাত্র ৩৭ রানে পতন ঘটলে বাংলাদেশ ৩৭.২ ওভারে ১৯৪ রানে অলআউট হয়।
আফগানদের পক্ষে ইমরান মোহাম্মদ ৩টি এবং সোহেল খান ও লুৎফুল্লাহ মোহাম্মদ ২টি করে উইকেট নেন। সিরিজের চতুর্থ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল।
আরও পড়ুন
পলাশ/এএফ
আরও পড়ুন
জাতীয় ক্রিকেট লিগ: জয় পেল রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
প্রথম শ্রেণির অভিষেক ম্যাচেই খুলনার হয়ে বাঁহাতি স্পিনার রাকিব হাওলাদার ৮৯ রানে নেন ৫ উইকেট। ছবি: সংগৃহীত
-->জাতীয় ক্রিকেট লিগের তৃতীয় রাউন্ডে তিনটি খেলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ড্র হয়েছে একটি। রাজশাহীতে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে হারিয়েছে বরিশালকে। চট্টগ্রামে রংপুরের বিপক্ষে ৩৭ রানে জয় পেয়েছে সিলেট। সিলেটে খুলনা ১০ রানে জয়ী হয়েছে চট্টগ্রামের বিপক্ষে। কক্সবাজারে ঢাকা ও ময়মনসিংহের ম্যাচ ড্র হয়েছে। রাজশাহী ও সিলেট এবারের মৌসুমে পেয়েছে প্রথম জয়। তাদের পয়েন্ট ৪ করে খুলনার ছিল দ্বিতীয় জয়। ৫ পয়েন্ট নিয়ে তারা সবার উপরে। চট্টগ্রাম ও রংপুর পেয়েছে প্রথম হারের দেখা। চট্টগ্রামের পয়েন্ট ৩, রংপুরের পয়েন্ট ২। ঢাকা ও ময়মনসিংহ তিনটি ম্যাচই ড্র করেছে বরিশাল হেরেছে আবার সব ম্যাচেই।
সিলেটে খুলনা ও চট্টগ্রাম দুই দলেরই জয়ের সম্ভাবনা ছিল। খুলনার প্রয়োজন ছিল ৫ উইকেট, চট্টগ্রামের ১০১ রানের। সেখানে জয়ী হয়েছে খুলনা। তারা ৯০ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ জিতে ১০ রানে। চট্টগ্রাম ৫ উইকেটে ১৭৪ রান নিয়ে খেলতে নেমে ২৬৪ রানে অলআউট হয়।
অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর ৪৬ রান করেন। বাঁহাতি স্পিনার রাকিব হাওলাদার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচেই ৮৯ রানে নেন ৫ উইকেট। মেহেদি হাসান রানা নেন ৭২ রানে ৪টি উইকেট। ম্যাচসেরা হন খুলনার ওপেনার আজিজুল হাকিম।
আরও পড়ুন
রাজশাহীতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে বরিশাল দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭৪ রানে অলআউট হয়ে মাত্র ৪৬ রানে এগিয়ে থাকে। রাজশাহী ২ উইকেট হারিয়ে ৪৯ রান করে ম্যাচ নিজেদের করে নেয়। বরিশাল আগের দিনের ৫ উইকেটে ২৪৯ রান নিয়ে খেলতে নেমে খুব বেশি দূর যেতে পারেনি। ২৫ রান যোগ করেই বাকি ৫ উইকেট হারায়। শফিকুল ইসলাম প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো নেন ৭৩ রান। অপরাজিত ২০২ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হন রাজশাহীর নাঈম আহমেদ।
চট্টগ্রামে সিলেট দ্বিতীয় দিন ব্যাট করতে নেমে অলআউট হয় ২৩৭ রানে। আগের দিনের ৮ উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে খেলতে নেমে মাত্র ২ রান যোগ করে শেষ ২ উইকেট হারায়। ৯৪ রানে অপরাজিত থেকে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় থাকা অমিত হাসান আর কোনও রান যোগ না করেই আউট হয়ে যান। সিলেট এগিয়ে থাকে ২১০ রানে। রংপুর ২১১ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সিলেটের দুই স্পিনার নাসুম আহমেদ ও নাঈম আহমেদের ঘূর্ণি বলের ফাঁদে পড়ে লক্ষ্য অতিক্রম করতে পারেনি। ১৭৩ রানে তারা অলআউট হয়। ওপেনার অনিক সরকার সেতু ৫৫ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন ৪৪ রান করেন। নাসুম ৬৯ রানে ৫টি ও নাঈম ৫৩ রানে নেন ৪ উইকেট। নাসুমের এটি ছিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্বাদশবার ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া। ২ ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়ে নাঈম আহমেদ হন ম্যাচসেরা।
আরও পড়ুন
কক্সবাজারে ঢাকা ও ময়মনসিংহের ম্যাচ যে ড্র হবে তা তৃতীয় দিন শেষেই বুঝা গিয়েছিল। কারণ তখনো দলেরই প্রথম ইনিংস শেষ হয়নি। ময়মনসিংহ প্রথম ইনিংসে ৩৮৭ রান করার পর ঢাকা তৃতীয় দিন শেষ করেছিল ৯ উইকেটে ৩৪২ রান। শেষ দিন তারা ৩৭৭ রানে অলআউট হয়ে পিছিয়ে থাকে ১০ রানে। সুমন খান ৩৮ রান করে আউট হন। ম্যাচসেরা ঢাকার রাকিবুল হাসান ৮০ রানে নেন ৪ উইকেট। নিশ্চিত ড্র ম্যাচে ময়মনসিংহ দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেটে ১৬৭ রান করে। আরিফুল ইসলাম ৯২ রান করে আউট হন।
পলাশ/নাঈম
আরও পড়ুন
ভুল শুধরে ভারতের বিপক্ষে লড়তে চায় বাংলাদেশ
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ভারতের বিপক্ষে লিগ পর্বের ম্যাচে ৪৭–১৩ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। ৩৪ গোলের সেই ব্যবধান দুই দলের শক্তির পার্থক্যটাই স্পষ্ট করে দিয়েছিল। এবার সেই ভারতের বিপক্ষেই শিরোপার লড়াইয়ে নামতে হবে বাংলাদেশকে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের মুখোমুখি হবে। পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বেলা ৩টায়।
লিগ পর্বে ভারতের বিপক্ষে বড় হার থেকে শিক্ষা নিয়ে এই ম্যাচ খেলতে চায় বাংলাদেশ। আগের ম্যাচের ভুল শুধরে ব্যবধান কমিয়ে লড়াই করাই মূল লক্ষ্য স্বাগতিকদের।
আরও পড়ুন
ফাইনালের আগে আজ অনুশীলনে ভারতের দ্রুত আক্রমণ সামলানো ও বলের দখল ধরে রাখার কৌশল নিয়ে কাজ করেছেন স্প্যানিশ কোচ আনা আলোনসো ফ্রাগুয়া। তার মতে, ভারতকে ফাস্ট ব্রেকের সুযোগ কম দিতে পারলেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ার সম্ভাবনা বাড়বে।
অনুশীলন শেষে আলোনসো বলেন, ‘আমার চোখে, ভারত পুরো ৬০ মিনিট দ্রুত গতিতে খেলার মতো সক্ষম ছিল। আর ফাস্ট ব্রেকে যখন ওরা ছুটে আসছিল, আমরা ওদের আক্রমণ থামাতে পারিনি। তাই আমার কাছে মূল বিষয় হলো ভারতকে যেন ফাস্ট ব্রেকে যাওয়ার সুযোগ না দেওয়া হয়।’
আরও পড়ুন
ভারতকে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল মেনেও নিজেদের উন্নতির ব্যাপারে আশাবাদী কোচ। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার বিশ্বাস আগের ম্যাচের চেয়ে আমরা আরও ভালো করতে পারব। আর আমরা ভারতের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করতে পারব বলেই মনে করি। তাই সেটাই আমার লক্ষ্য- আরও ভালো খেলা এবং নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেওয়া।’
ভারতের সঙ্গে ব্যবধান কমাতে আক্রমণে ভুল কমানোর ওপরও জোর দিচ্ছেন আলোনসো। তার বিশ্বাস, পুরো ৬০ মিনিট লড়াই করতে পারলে ফলের সম্ভাবনাও তৈরি হবে। তবে সে জন্য বাংলাদেশের আরও অনুশীলন ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
আগের ম্যাচের ভুল শুধরে ভালো খেলার প্রত্যাশা বাংলাদেশের খেলোয়াড় মাসুদা আক্তারেরও। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এই ভুলগুলো সংশোধন করতে পারি অবশ্যই কালকে আমরা ভালো একটা ম্যাচ খেলতে পারব।’
দলের আরেক খেলোয়াড় আছিয়া আক্তারের চাওয়াও একই— ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের চেয়ে দলীয় সমন্বয়ে নিজেদের সেরাটা দেওয়া। ভারতের শক্তিমত্তা জানা থাকলেও লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকতে চান না তারা। শিরোপার মঞ্চে বাংলাদেশের পরীক্ষা তাই শুধু ভারতের বিপক্ষে নয়, আগের ম্যাচের ভুলগুলো কাটিয়ে ওঠারও।
তোফায়েল/এএফ
