সুন্দরবনের ভোলা নদী থেকে ২৬০ টন ইন্দোনেশীয় কয়লাবোঝাই একটি বাল্কহেড কার্গো জাহাজ আটক করেছে বন বিভাগ। এ সময় জাহাজে থাকা নয় ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তবে জাহাজে থাকা বিপুল পরিমাণ কয়লার কোনো মালিকের সন্ধান না পাওয়ায় পরিবহনের উদ্দেশ্য নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মোংলার পশুর নদীর জয়মনি এলাকায় একটি মাদার ভ্যাসেল থেকে কয়লা বোঝাই করার পর নির্ধারিত গন্তব্যে না গিয়ে জাহাজটি সুন্দরবনের ভেতরের নদীপথ দিয়ে অন্য কোথাও যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কয়লা পরিবহনের বৈধতা এবং জাহাজটির প্রকৃত গন্তব্য সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি বন বিভাগ।
গত রবিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা নদীতে নিয়মিত টহলের সময় জাহাজটি আটক করা হয়। পরে জাহাজ ও আটক ব্যক্তিদের শরণখোলা ফরেস্ট স্টেশন ঘাটে নিয়ে আসা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন— তরিকুল ইসলাম, দুলাল হাওলাদার, সুমন তালুকদার, নুরনবী, এনায়েত করিম, মো. ওবায়দুল, মামুন, মো. ওয়ায়েক মিয়া ও কবির হোসেন। তাদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন এলাকায় বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
শরণখোলা ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা ও ডেপুটি রেঞ্জার শ্যামা প্রসাদ রায় জানান, তার নেতৃত্বে বনরক্ষীরা নিয়মিত টহলের সময় কয়লাবোঝাই জাহাজটি আটক করেন।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, জাহাজে থাকা কয়লার কোনো মালিক পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, বন বিভাগের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
