সন্দীপ্তা সেনছবি: সংগৃহীত
Authored By:
Published on
:
1 min read
দেবলীনা ঘোষ
পুলিশ অফিসার চিত্রা বসু (সন্দীপ্তা সেন) এ বার এক সিরিয়াল কিলারের সন্ধানে। যে খুনি বিউটি ইনফ্লুয়েন্সারদের বেছে বেছে খুন করে। তাও আবার নাক কেটে। এই ভয়াবহ খুনিকে খুঁজে শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি চিত্রার ব্যক্তিগত জীবনেও সমস্যা ঘনিয়ে আসে। পেশা আর ব্যক্তিগত জীবনের সমস্যা সামলে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি চিত্রা? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে শেষ অবধি অপেক্ষা করতে হয় না। কারণ দর্শকরা প্রথম থেকেই উত্তরটা বুঝে ফেলেন।
থ্রিলার সিরিজ়ের গল্প এর থেকে বেশি বলা উচিত নয়। যদিও গল্পে কোনও নাটকীয়তা নেই। নেই কোনও টুইস্টও। কিন্তু অভিনয় আর পরিচালনার গুণে দেখতে ভালো লাগে। সন্দীপ্তা চিত্রা বসুর চরিত্রে আগের পর্বের মতোই সাবলীল। ভালো লাগে তাঁকে দেখতে। সিরিয়াল কিলারের চরিত্রে তাক লাগিয়েছেন তথাগত চৌধুরী। তাঁর দুরন্ত অভিনয় ছাড়া কিন্তু এই সিরিজ় অসম্পূর্ণ। ছোট্ট চরিত্রে দেবরাজ ভট্টাচার্যকে ভালো লাগে। এখানে কিন্তু তিনি অ্যাডভোকেট অচিন্ত্য আইচের অ্যাসিসট্যান্ট হিসেবেই রয়েছেন। প্রীতি আর প্রতীকের অভিনয়ও ভালো লাগে। ছোট ছোট চরিত্রে সুদীপা, অনির্বাণ, নবনীতা ভালো।
এই সিরিজ় নিয়ে আক্ষেপ একটাই। গল্পটা প্রথম থেকেই যেন জানা। হু ডান ইট মেথডে না এগলেও শেষে একটা টুইস্টের প্রয়োজন ছিল। গল্পে সেটা নেই। তাই পরিচালনা, অভিনয় যতই ভালো হোক, খামতি থেকেই গিয়েছে। সংলাপেও সমস্যা রয়েছে। পুলিশ মানেই কি সাধারণ মানুষের সঙ্গে তুই–তোকারি করে কথা বলা যায়? বাইকে লিফ্ট চাওয়ার সময়েও তুই বলে সম্বোধন করাটা কানে লাগে। চিত্রা আর তার বর অনিরুদ্ধর (আদিত্য সেনগুপ্ত) সম্পর্কটাও বেশ মেকি লাগে।
এমনকী অনিরুদ্ধর স্ক্যাম করার বিষয়টাও আলাদা কোনও মাত্রা যোগ করে না। হয়তো মহিলা পুলিশ চরিত্র বলেই তাকে আরও বেশি স্ট্রং দেখানোর জন্য ব্যক্তিগত জীবনটাও এরকম ঘেঁটে দিয়েছেন চিত্রনাট্যকার। উৎসবের মরশুমে এই সিরিজ় দেখতে মন্দ লাগবে না। ভালো অভিনয় আর পরিচালনার জন্য দেখতেই পারেন। বিশেষত সন্দীপ্তা আর তথাগতর অভিনয় মন ভালো করে দেবে।
