Published on
:
1 min read
এই সময়, বর্ধমান: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে মধুসূদন ভট্টাচার্যর পদত্যাগের প্রায় পাঁচ মাস পরে সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ করা হলো মাধবডিহি থানার চকচন্দন দুর্গা দাস হাইস্কুলের শিক্ষক শিউমুনী গঁদ (শাউ)-কে। তবে এই নাম ঘোষণার পর থেকেই শংসাপত্র -ও নাম বিতর্ক চরমে উঠেছে।
আদিবাসী কল্যাণ সমিতি ও স্কুলের এক শিক্ষকের করা মামলা বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন থাকায় এক বিতর্কিত শিক্ষককে এই দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ২৪ সেপ্টেম্বর বর্ধমান উত্তর মহকুমাশাসকের কাছে শিউমুনীর তফশিলি উপজাতি (এসটি) শংসাপত্র -ও নাম নিয়ে লিখিত অভিযোগ জানায়। সংগঠনের জেলা সম্পাদক মঙ্গল মান্ডি অভিযোগ করেন, 'চকচন্দন দুর্গা ন্দাস হাইস্কুলের শিক্ষক শিউমুনী গঁদ হলেও তাঁর আসল নাম শিউ মুনী শাউ এবং তিনি বর্ধমানের বাদশাহী রোড মাঠপাড়ার বাসিন্দা। ২০১৪ সালে কেনা জমির দলিলেও শিউমুনী শাউ নাম রয়েছে। সার্ভিস প্রোফাইলে যে এপিক কার্ড দেওয়া হয়েছে তা ভুয়ো এবং এর কোনও অস্তিত্ব নেই।'
এই অভিযোগের ভিত্তিতে মহকুমাশাসক ২৮ সেপ্টেম্বর বর্ধমান পুরসভার এগজ়িকিউটিভ অফিসারকে তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, স্কুলেরই এক শিক্ষক শিউমুনীর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন, যা এখনও বিচারাধীন। এমন একজন বিতর্কিত শিক্ষককে পর্ষদের মাথায় বসানো নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছে বিরোধীরা। এক বিজেপি নেতা বলেন, 'এটা কী ভাবে সম্ভব আমরা বুঝে উঠতে পারছি না।'
তবে চকচন্দন দুর্গা দাস হাইস্কুলের শিক্ষক ও বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, 'আমাদের স্কুলের শিক্ষক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন। আমাদের অভিনন্দন রইল।' এ দিকে এই বিষয়ে শিউমুনী গঁদ (শাউ)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'একটা কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছি। পরে ফোন করবেন।'