স্বাস্থ্য সচেতনদের হেঁশেলে এখন নতুন সংযোজন মোরিঙ্গা পাউডার। সমাজমাধ্যম খুললেই চোখে পড়ছে এই গুঁড়োর গুণাগুণ নিয়ে বিস্তর আলোচনা। শরীর সুস্থ রাখতে অনেকেই ভরসা রাখছেন সজনেপাতার গুঁড়োয়। অনলাইনেও কৌটোবন্দি হয়ে দেদার বিকোচ্ছে এটি। বাঙালির হেঁশেলে সজনেডাঁটা বা ফুলের কদর থাকলেও পাতা নিয়ে কোনও দিনই তেমন মাতামাতি হয়নি। কিন্তু পুষ্টিগুণ জানার পর থেকেই সজনেপাতার গুঁড়ো খাওয়ার দিকে ঝোঁক বাড়ছে। পুষ্টিবিদেরা জানাচ্ছেন, সজনেপাতায় রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালশিয়াম, আয়রন, জ়িঙ্ক, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামের মতো একাধিক জরুরি উপাদান। অ্যামাইনো অ্যাসিড ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর এই গুঁড়ো শুধু শরীর নয়, ত্বককেও রাখে টানটান ও উজ্জ্বল। তবে গরম জলের সঙ্গে সজনেগুঁড়ো মিশিয়ে খেতে অনেকেরই ভাল লাগে না। ইচ্ছে করলে বিভিন্ন রান্নাতেও মিশিয়ে দিতে পারেন সজনেগুঁড়ো। শিখে নিন কৌশল।
পরোটায়: আলু হোক পনির, যে কোনও পরোটা বানানোর সময়ে তাতে মিশিয়ে দিতে পারেন পরিমাণমতো সজনেগুঁড়ো। এতে পরোটার স্বাদে খুব বেশি পরিবর্তন না হলেও পুষ্টিগুণ অনেকটাই বেড়ে যাবে।
ডাল-তরকারিতে: ডাল সেদ্ধ হয়ে গেলে, নামানোর ২ মিনিট আগে ১ চা-চামচ গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। বেশি ফোটাবেন না, পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যাবে। ডাল, স্যুপ, খিচুড়ি বা যে কোনও ঝোলে দিতে পারেন সজনেগুঁড়ো।
রায়তা: খাবার সময়ে অনেকেই রায়তা খেতে পছন্দ করেন। দইয়ে নুন, গোলমরিচ, পেঁয়াজকুচি, শসাকুচি, কাঁচালঙ্কাকুচির সঙ্গে ১ চা-চামচ সজনেগুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন।
